চট্টগ্রাম, বগুড়া, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট শহরে রেকর্ড অনুসারে কতগুলো পুকুর রয়েছে, তার তালিকা হলফনামা আকারে আদালতে তিন মাসের মধ্যে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৫ শহরে শত শত পুকুর অবৈধভাবে ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে মনিটরিং টিম গঠন করার জন্য ৫ জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে সোমবার বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
জলাধার সংরক্ষণ আইন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন বিধান অনুসারে জলাশয় হিসেবে স্বীকৃত পুকুর দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার ব্যাপারে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) রবিবার একটি রিট পিটিশন দায়ের করে।
এইচআরপিবির পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।
পরে এক লিখিত বক্তব্যে মনজিল মোরসেদ জানান, আদালত চার সপ্তাহের রুল জারি করে বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম শহরে রেকর্ডকৃত পুকুরগুলো রক্ষায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং পুকুরগুলো কার্যকরভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না এবং জলাধার সংরক্ষণ আইনের ৬ ধারা অনুসরণপূর্বক যারা পুকুরের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করেছেন, তারা ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে যারা দখল ও ভরাট করছেন, তাদের বিরুদ্ধে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৮ ধারা অনুসারে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, এ মর্মে বিবাদীদের জবাব দিতে বলেছেন।
আদালত অপর এক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ৫ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের ১৫ দিনের মধ্যে সাত সদস্যবিশিষ্ট মনিটরিং কমিটি গঠন করতে বলেছেন। যেখানে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রতিনিধি, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি থাকবেন এবং যাতে আর কেউ রেকর্ডকৃত পুকুর দখল বা ভরাট করতে না পারে, সে মর্মে মনিটরিং কমিটিকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ





























