ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে শোচনীয় পরাজয় ও হোয়াইটওয়াশ হওয়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ওপর। এর জের ধরেই আটকে গেছে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তি।
প্রধান কোচ ও নির্বাচকদের কঠোর মূল্যায়নের মুখে পড়ে বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ানদের এই চুক্তির জন্য আগামী মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।
ক্রিকেটভিত্তিক বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, গত জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ড সফরের আগে ৩০ জন খেলোয়াড়ের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছিল। নতুন এই কেন্দ্রীয় চুক্তি চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও ইংল্যান্ডের মাটিতে দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্স পুরো প্রক্রিয়াটিকে স্থবির করে দিয়েছে। ফলস্বরূপ, প্রাথমিক তালিকায় বড় ধরনের রদবদলের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে; বিশেষ করে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও টেস্ট অধিনায়ক শান মাসুদের চুক্তি থেকে বাদ পড়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।
পিসিবি সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় দলের সব ফরম্যাটের প্রধান কোচ মাইক হেসন এবং নির্বাচকমণ্ডলী তাড়াহুড়ো করে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নারাজ। আগামী ১৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডকে নিয়ে ঘরের মাঠে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
পাকিস্তান দলের কোচ ও নির্বাচকরা চাচ্ছেন, এই ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার পরই ক্যাটাগরি চূড়ান্ত করতে। এছাড়া নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই চুক্তি ঘোষণা আরো বিলম্বিত হতে পারে।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানিয়েছে, এবারের কেন্দ্রীয় চুক্তিগুলো আর প্রচলিত জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে দেওয়া হবে না। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স এবং দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে সম্পূর্ণ ফরম্যাট অনুযায়ী (টেস্ট ক্রিকেট, টি-টোয়েন্টি এবং সাদা বলের ক্রিকেট—ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি) বিশেষায়িত ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে।
যদিও পূর্বের চুক্তির মেয়াদ গত ৩১ জুলাই শেষ হয়ে গেছে, তবে পিসিবি নিশ্চিত করেছে যে চুক্তিগুলো যখনই ঘোষণা করা হোক না কেন, তা পূর্বের তারিখ থেকেই কার্যকর হবে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ



























