ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা Logo চাঁদা না দিলে মার্কেট পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, অতঃপর.. Logo গাজায় বেসামরিক ভবনে ড্রোন হামলার অবাধ অনুমোদন ইসরায়েলের Logo যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তা Logo সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম ৩ দিন বন্ধ থাকবে Logo দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি ফাইলবন্দী থাকলে রক্ষা মিলবে না Logo আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে বৈঠক Logo ‘আমাদেরকে আজাইরা আলাপে ব্যস্ত রাইখা কেউ কলকাঠি নাড়তে ব্যস্ত’ Logo মেসির সঙ্গে অজানা সম্পর্কের কথা জানালেন রোনালদো Logo সংসদ সদস্যের গাড়িতে অতিরিক্ত যাত্রী সচিবালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

নির্ধারিত সময়ের আগেই সাজেক ছাড়লেন সব পর্যটক

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই সোমবার সাজেক পর্যটনকেন্দ্র ছেড়েছেন সেখানে অবস্থানরত সব পর্যটক। দুই দফায় মোট ১ হাজার ১৪১ জন পর্যটক সাজেক ছেড়ে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন। বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক নেই।

সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে সাজেকের বিভিন্ন কটেজ ও রিসোর্টে অবস্থানরত ৮৫৮ জন পর্যটক এলাকা ছাড়েন। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে আরও ২৮৩ জন পর্যটক সাজেক ত্যাগ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তায় তাঁদের খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মন জানান, প্রশাসনের নির্দেশনার এক দিন আগেই সোমবার দুই দফায় সাজেকে অবস্থানরত সব পর্যটক এলাকা ছেড়েছেন। নতুন করে কোনো পর্যটককে সাজেকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সেখানে কোনো পর্যটক নেই।

তবে প্রশাসনের সাময়িকভাবে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে শারদীয় দুর্গাপূজার দীর্ঘ সরকারি ছুটিতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

সাজেকের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় গত রোববার সন্ধ্যা থেকে পর্যটনকেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। একই সঙ্গে ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

এর আগে রোববার ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাজেক সড়কে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিকেল ৩টা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের দীর্ঘ আলোচনার পর তাঁরা দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখতে সম্মত হন। এরপর সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়।

সুপর্ণ দেববর্মন আরও জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটির সময়ে সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজগুলোর সব কক্ষ আগাম বুকিং দেওয়া ছিল। কিন্তু পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করায় কটেজ ও রিসোর্টের মালিকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পর্যটন ব্যবসায়ীদের ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র দ্রুত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা

নির্ধারিত সময়ের আগেই সাজেক ছাড়লেন সব পর্যটক

আপডেট সময় ১১:৪৮:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেই সোমবার সাজেক পর্যটনকেন্দ্র ছেড়েছেন সেখানে অবস্থানরত সব পর্যটক। দুই দফায় মোট ১ হাজার ১৪১ জন পর্যটক সাজেক ছেড়ে খাগড়াছড়িতে পৌঁছেছেন। বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক নেই।

সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১০টার দিকে সাজেকের বিভিন্ন কটেজ ও রিসোর্টে অবস্থানরত ৮৫৮ জন পর্যটক এলাকা ছাড়েন। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে আরও ২৮৩ জন পর্যটক সাজেক ত্যাগ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তায় তাঁদের খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মন জানান, প্রশাসনের নির্দেশনার এক দিন আগেই সোমবার দুই দফায় সাজেকে অবস্থানরত সব পর্যটক এলাকা ছেড়েছেন। নতুন করে কোনো পর্যটককে সাজেকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সেখানে কোনো পর্যটক নেই।

তবে প্রশাসনের সাময়িকভাবে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে শারদীয় দুর্গাপূজার দীর্ঘ সরকারি ছুটিতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

সাজেকের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় গত রোববার সন্ধ্যা থেকে পর্যটনকেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। একই সঙ্গে ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে পর্যটকদের সাজেক ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

এর আগে রোববার ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাজেক সড়কে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিকেল ৩টা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের দীর্ঘ আলোচনার পর তাঁরা দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখতে সম্মত হন। এরপর সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়িতে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়।

সুপর্ণ দেববর্মন আরও জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটির সময়ে সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজগুলোর সব কক্ষ আগাম বুকিং দেওয়া ছিল। কিন্তু পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করায় কটেজ ও রিসোর্টের মালিকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পর্যটন ব্যবসায়ীদের ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র দ্রুত পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ