ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সুবাস্তুর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু দুদকের

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সুবাস্তু ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সুবাস্তু ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা শত শত নিরীহ গ্রাহকের কষ্টার্জিত সম্পদের বিনিময়ে অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন। এ সংক্রান্ত নথি গণমাধ্যমের সংগ্রহে রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং তদারককারী কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়ে কমিশন থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের নথিতে উল্লেখ করা হয়, কমিশন আইন, ২০০৪; দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭; মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর বিধান মোতাবেক অভিযোগটির অনুসন্ধান কাজ সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

অনুসন্ধানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধকরণ অথবা কোনো সম্পদ/সম্পত্তি ক্রোক করা হলে তা অনতিবিলম্বে লিখিতভাবে এ শাখাকে অবহিত করতে হবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে সুবাস্ত প্রপার্টিজ লিমিটেডের এমডি নাজমুল হক খানের মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে তিনি তা ধরেননি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সুবাস্তুর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু দুদকের

আপডেট সময় ১১:১২:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে সুবাস্তু ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সুবাস্তু ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা শত শত নিরীহ গ্রাহকের কষ্টার্জিত সম্পদের বিনিময়ে অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জন করেন। এ সংক্রান্ত নথি গণমাধ্যমের সংগ্রহে রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এবং তদারককারী কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়ে কমিশন থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দুদকের নথিতে উল্লেখ করা হয়, কমিশন আইন, ২০০৪; দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭; মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর বিধান মোতাবেক অভিযোগটির অনুসন্ধান কাজ সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

অনুসন্ধানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধকরণ অথবা কোনো সম্পদ/সম্পত্তি ক্রোক করা হলে তা অনতিবিলম্বে লিখিতভাবে এ শাখাকে অবহিত করতে হবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে সুবাস্ত প্রপার্টিজ লিমিটেডের এমডি নাজমুল হক খানের মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে তিনি তা ধরেননি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস