বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকলে দেশের বাজারেও জ্বালানি তেলের দাম কমানোর বিষয়ে সরকার অবশ্যই সমন্বয় করবে।
আজ মঙ্গলবার সরকারের কর্মকাণ্ড এবং সমসাময়িক বিষয় নিয়ে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা। তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমার পর দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববাজারে তেলের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে বর্তমানে যে দাম দেখা যাচ্ছে, তা দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল থাকবে কি না, এখনই বলা কঠিন।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের ওপর পড়ছে বলে স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। বলেন, ‘জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যায়। বিনিয়োগ কমলে কর্মসংস্থানও কমে আসে। এতে মানুষ চাকরি হারায় এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ কমে যায়।
এই পরিস্থিতি সরকারের জন্য ভালো কিছু নয় বলে জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘সরকার বিষয়টি নিয়ে সংবেদনশীল। তেলের দামের পরিস্থিতি আমরা বিবেচনা করব।’
এলপিজির দাম বেশি নিলে ব্যবস্থা
এলপিজির নির্ধারিত মূল্যের বেশিতে বিক্রি করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তথ্য উপদেষ্টা। বলেন, ‘এলপিজির দাম বেশি নিলে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে।
নির্ধারিত দামে এলপিজি না পেলে বা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়াতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে এলপিজির দামের এই সমন্বয় করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাজারে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং জরিমানা জোরদার করা হয়েছে।
আ. লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলন অসম্ভব নয়
আওয়ামী লীগের সঙ্গে রিকনসিলিয়েশন করার ক্ষেত্রে দলটির অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপ থাকা জরুরি বলে জানান তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ‘অপরাধের স্বীকৃতি ও অনুতাপের পরও রিকনসিলিয়েশনের প্রশ্ন থাকতে পারে। তবে অপরাধ স্বীকার করলেই ফৌজদারি অপরাধের দায় শেষ হয়ে যায় না, এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হয়।’
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘দেশের অনেক মানুষ এখনো আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন। তারা বাংলাদেশেরই নাগরিক। আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুনর্মিলনের উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়, বরং এমন উদ্যোগ হলে ভালো হতো। তবে রিকনসিলিয়েশনের আগে এর মৌলিক ভিত্তি কী হবে, সেটি নিশ্চিত করা জরুরি।’
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























