ঢাকা ০৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিস্ফোরক এক সেঞ্চুরিতে ১৮ ধাপ ওপরে শ্রেয়াস আইয়ার Logo পুত্রবধূর বিরুদ্ধে বালতির আঘাতে শাশুড়ির হত্যার অভিযোগ Logo ইরান যুদ্ধে ৮১ ফাইটার, ড্রোন ও হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র Logo পথশিশু ও ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: ডা. জাহিদ Logo মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি Logo বিদ্যুতের তার ‘চুরি’ করতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের Logo বিদায়ী ম্যাচে হলুদ-লালকার্ড পেলেন মেসি! Logo শান্তিতে নোবেল: শেষ মুহূর্তের আলোচনায় সম্ভাব্য যারা Logo একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন Logo সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ঢাবি অধ্যাপক জামাল উদ্দিন ফের গ্রেপ্তার

পোশাককর্মী হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পোশাককর্মী সায়মনকে ছিনতাইয়ের পর হত্যার মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় একজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। আর সুজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া বলেন, রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর রাতে মিরপুর-১ থেকে বাসায় ফেরার পথে সায়মনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রিকশায় করে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিয়ে যায় তিন ছিনতাইকারী।

সেখানে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে স্থানীয়রা সায়মনকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সায়মন মিরপুর-১-এর একটি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। ঘটনার দিন বেতন তুলে দুই সহকর্মীর সঙ্গে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় মামলা করেন।

তদন্তে ইউসুফ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল ও মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে সায়মনের মোবাইল বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনজনের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

২০২৩ সালের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

বিস্ফোরক এক সেঞ্চুরিতে ১৮ ধাপ ওপরে শ্রেয়াস আইয়ার

পোশাককর্মী হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০১:১১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পোশাককর্মী সায়মনকে ছিনতাইয়ের পর হত্যার মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় একজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মো. ইউসুফ, ইকবাল খাঁ ও মেহেদী হাসান। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। আর সুজনকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া বলেন, রায় ঘোষণার আগে কারাগারে থাকা ইউসুফ, ইকবাল ও মেহেদীকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সুজন পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর রাতে মিরপুর-১ থেকে বাসায় ফেরার পথে সায়মনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রিকশায় করে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এলাকায় নিয়ে যায় তিন ছিনতাইকারী।

সেখানে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে স্থানীয়রা সায়মনকে উদ্ধার করে পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সায়মন মিরপুর-১-এর একটি গার্মেন্টসে ১০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করতেন। ঘটনার দিন বেতন তুলে দুই সহকর্মীর সঙ্গে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন তিনি।

এ ঘটনায় সায়মনের বাবা শাজাহান শেখ দারুস সালাম থানায় মামলা করেন।

তদন্তে ইউসুফ গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইকবাল ও মেহেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে সায়মনের মোবাইল বিক্রির টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনজনের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের পর হত্যার অভিযোগে এবং সুজনের বিরুদ্ধে চোরাই মাল রাখার অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

২০২৩ সালের ২ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। মামলায় ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ