ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে ককটেল-পেট্রোল বোমা, ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী Logo সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি Logo সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি ও বিদ্যমান সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo শরীরে চর্বি থাকা কেন জরুরি, কমে গেলে কী ক্ষতি হয় Logo ২২ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লেনদেন না করার সতর্কতা বাংলাদেশ ব্যাংকের Logo নতুন দায়িত্ব পেলেন সারজিস আলম Logo আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিভীষিকাময়, সরকারের আত্মমূল্যায়ন জরুরি : সিপিবি Logo ‘শুভ জন্মদিন আপা’ লিখে পোস্ট, ছাত্রশক্তির নেতাকে পুলিশে সোপর্দ Logo চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্ব আরোপ প্রধানমন্ত্রীর Logo চাঁদাবাজির সঙ্গে বিএনপি জড়িত নয় : নজরুল ইসলাম খান

আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

সাভারের আশুলিয়ায় পরিচালনা পর্ষদের বিরোধ নিয়ে একটি মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়ার শ্রীপুরে অবস্থিত তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

মাদ্রাসায় হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় বলে রাত ৯টার দিকে জানান আশুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।’

মাদ্রাসাটির উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ও আশরাফ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সানজিদ বলেন, ‘ইমাম হাসান ও ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা করে।’

হামলাকারীরা অফিস কক্ষ ভাঙচুর এবং কম্পিউটার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

সানজিদ আরও বলেন, ‘ইমাম হাসান আমাদের মাদ্রাসার সামনে ট্রাস্টের জায়গায় মহাসড়কের পাশে নির্মিত একটি মার্কেট জোর করে দখল করেছিলেন। সম্প্রতি তাকে সেখান থেকে বিতাড়িত করা হয়।’

বিএনপি নেতা জাকিরের নেতৃত্বে এর আগেও মাদ্রাসায় হামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। এ বিষয়ে জানতে ইমাম হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ঢাকা জেলা তাঁতী দলের সভাপতি জাকির হোসেন সানজিদের দাবিকেপ্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘সানজিদ একজন সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্ত। মাদ্রাসার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। সে জোরপূর্বক মাদ্রাসাটি দখল করে রেখেছে। তাই এলাকাবাসী আজ তাদের ওখান থেকে বিতাড়িত করেছে।’

নিজেকে মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদ ও দারুল এহসান ট্রাস্টের সদস্য দাবি করে জাকির জানান, তার ছেলে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও তিনি একজন অভিভাবক।

জাকির বলেন, ‘পুলিশ আসার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অনুরোধ করে চলে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হলেও ওখানে আমি যেতে পারি না। দুই দিন পরপর আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ আনে সানজিদ। এর আগেও আমি সানজিদের নামে মামলা করেছি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে ককটেল-পেট্রোল বোমা, ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আশুলিয়ায় মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৫৪:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাভারের আশুলিয়ায় পরিচালনা পর্ষদের বিরোধ নিয়ে একটি মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়ার শ্রীপুরে অবস্থিত তাহফিযুল কুরআনিল কারিম ফাযিল (স্নাতক) মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

মাদ্রাসায় হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় বলে রাত ৯টার দিকে জানান আশুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।’

মাদ্রাসাটির উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ও আশরাফ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের সদস্য সৈয়দ সানজিদ বলেন, ‘ইমাম হাসান ও ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেনের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসায় হামলা করে।’

হামলাকারীরা অফিস কক্ষ ভাঙচুর এবং কম্পিউটার, নগদ অর্থ ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ তোলেন তিনি।

সানজিদ আরও বলেন, ‘ইমাম হাসান আমাদের মাদ্রাসার সামনে ট্রাস্টের জায়গায় মহাসড়কের পাশে নির্মিত একটি মার্কেট জোর করে দখল করেছিলেন। সম্প্রতি তাকে সেখান থেকে বিতাড়িত করা হয়।’

বিএনপি নেতা জাকিরের নেতৃত্বে এর আগেও মাদ্রাসায় হামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। এ বিষয়ে জানতে ইমাম হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ঢাকা জেলা তাঁতী দলের সভাপতি জাকির হোসেন সানজিদের দাবিকেপ্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘সানজিদ একজন সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্ত। মাদ্রাসার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। সে জোরপূর্বক মাদ্রাসাটি দখল করে রেখেছে। তাই এলাকাবাসী আজ তাদের ওখান থেকে বিতাড়িত করেছে।’

নিজেকে মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদ ও দারুল এহসান ট্রাস্টের সদস্য দাবি করে জাকির জানান, তার ছেলে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও তিনি একজন অভিভাবক।

জাকির বলেন, ‘পুলিশ আসার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অনুরোধ করে চলে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মাদ্রাসাটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হলেও ওখানে আমি যেতে পারি না। দুই দিন পরপর আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ আনে সানজিদ। এর আগেও আমি সানজিদের নামে মামলা করেছি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ