ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

আবারও কমলো গ্যাস সরবরাহ, দুঃখ প্রকাশ পেট্রোবাংলার

কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে আরএলএনজি তথা দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে পেট্রোবাংলার জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক তারিকুল ইসলাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পেট্রোবাংলার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহেশখালী এলাকায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি ট্রান্সফার প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ কারণে আরএলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস সরবরাহও কিছুটা কমেছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে এলএনজি সরবরাহ ছিল ৫৯ কোটি ঘনফুট। একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাসের যোগান ছিল ১৬১ কোটি ঘনফুট। অভ্যন্তরীণ গ্যাস ও এলএনজি মিলিয়ে ওই সময়ে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২২১ কোটি ঘনফুট।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়ার উন্নতি হলে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হবে। এরপর গ্যাস সরবরাহও বাড়বে এবং দ্রুততম সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছে সংস্থাটি।

সাময়িক এই পরিস্থিতির জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।

এদিকে পেট্রোবাংলার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য মোট ৯টি এলএনজি কার্গো কেনা হয়েছিল। এসব কার্গোর মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল।

তবে মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমানে সেই সরবরাহ স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় কমে গেছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

গ্রাহকের কোটি কোটি টাকা নিয়ে উধাও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা

আবারও কমলো গ্যাস সরবরাহ, দুঃখ প্রকাশ পেট্রোবাংলার

আপডেট সময় ১০:৪৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে আরএলএনজি তথা দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা)।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে পেট্রোবাংলার জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক তারিকুল ইসলাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পেট্রোবাংলার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মহেশখালী এলাকায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি ট্রান্সফার প্রক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ কারণে আরএলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস সরবরাহও কিছুটা কমেছে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে এলএনজি সরবরাহ ছিল ৫৯ কোটি ঘনফুট। একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে গ্যাসের যোগান ছিল ১৬১ কোটি ঘনফুট। অভ্যন্তরীণ গ্যাস ও এলএনজি মিলিয়ে ওই সময়ে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২২১ কোটি ঘনফুট।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়ার উন্নতি হলে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হবে। এরপর গ্যাস সরবরাহও বাড়বে এবং দ্রুততম সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছে সংস্থাটি।

সাময়িক এই পরিস্থিতির জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।

এদিকে পেট্রোবাংলার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য মোট ৯টি এলএনজি কার্গো কেনা হয়েছিল। এসব কার্গোর মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছিল।

তবে মহেশখালী এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমানে সেই সরবরাহ স্বাভাবিক মাত্রার তুলনায় কমে গেছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস