ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মশক নিধন কর্মসূচিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
দুদক জানায়, মশার ওষুধ ও যন্ত্রপাতি কেনায় অনিয়ম, মানহীন ও কার্যকারিতাহীন কীটনাশক ক্রয় এবং বিভিন্ন কর্মসূচির নামে সরকারি অর্থ অপচয় ও আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের তথ্য যাচাই করতে ডিএনসিসিতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে দুদকের টিম সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে। সংগৃহীত তথ্য পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর মশা নিধনে ভেজাল কীটনাশকের নামে কেরোসিন সরবরাহ এবং বাসাবাড়ির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবৈধ দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজিসহ শত কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করেছিল দুদক। ওই অভিযানে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।
অভিযোগ ঠিকাদারি চক্র, ল্যাব কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একই ধরনের অভিযোগ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ডিএনসিসিতে মশক নিধন কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমে ওষুধ ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি, মানহীন ও কার্যকারিতাহীন কীটনাশক ক্রয় এবং সামাজিকভাবে/বিজ্ঞান ভিত্তিকভাবে কার্যকর প্রমাণিত না হওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির নামে সরকারি অর্থের অপচয় ও আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অন্যদিকে সিলেট অঞ্চলে অবস্থিত জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। গ্রাহকের লেজারে পরিশোধিত বিল লিপিবদ্ধকরণে কারসাজি করে রাষ্ট্রীয় অর্থ আত্মসাতসহ নানান দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, সিলেট এই অভিযান পরিচালনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস






















