গাজীপুরে গাজী রাফেজ আহমেদ (৩৫) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগে আতাউর রহমান (৪২) নামের এক ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মুরাদ হোসেন ও আশরাফ আলী নামে আরো দুজন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহানগরীর কাশিমপুরের চক্রবর্তী এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আটক গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার ফলগাছা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।
নিহত খুলনার দাকোপ থানার বাঁশখালী গ্রামের গাজী খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি চক্রবর্তী এলাকায় ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
তার সাত বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। ছুরিকাঘাতে আহত মুরাদ ও আশরাফ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মোজিব মেমোরিয়াল কেপিজে-বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে চক্রবর্তী এলাকায় রাফিজ একটি দোকানে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন। এ সময় পাশের আরেকটি দোকানের ঝালমুড়ি বিক্রেতা কয়েক জন পথচারীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও চিৎকার-চেঁচামেচি করেন।
রাফিজ সেখানে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতা আতাউর নিজের কাছে থাকা ধারালো ছুরি নিয়ে রাফিজসহ তিনজনের ওপর হামলা চালান। এ সময় পেটের ডান পাশে ছুরির আঘাতে গুরুতর আহত হন রাফিজ।
পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাফিজের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কাশিমপুর থানার এসআই শফিক আহমেদ জানান, অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ























