২৮ বছর বয়সেই ক্লাবহীন হয়ে পড়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলার হিসেবে পরিচিত ফাইক বলকিয়াহ। লিওনেল মেসি বা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো বিশ্বসেরা তারকাদের চেয়েও তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ অনেক বেশি হওয়া সত্ত্বেও, মাঠের পারফরম্যান্সের অভাবে বর্তমানে তিনি ফ্রি এজেন্ট।
থাইল্যান্ডের শীর্ষ লিগের ক্লাব রাতচাবুরির সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আর নবায়ন করেনি।
নতুন ক্লাব না পাওয়ার চেয়ে ফুটবল অঙ্গনে নতুন করে বাড়তি আলোচনা তৈরি করেছে তার অঢেল সম্পত্তি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিয়ারিও এএস প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি মূলত ব্রুনাইয়ের রাজপরিবারের সন্তান এবং দেশটির ধনকুবের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহর ভাইয়ের ছেলে।
তার সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এই বিপুল পারিবারিক সম্পদের কারণেই ফুটবল বিশ্বে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সবচেয়ে ধনী ফুটবলার’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাজপরিবারের সঙ্গে এই ঘনিষ্ঠ রক্তের সম্পর্কের কারণেই এত বিশাল পরিমাণ ধন-সম্পদের মালিক তিনি।
১৯৯৮ সালের ৯ মে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে জন্ম নেওয়া ফাইকের শৈশব-কৈশোর কেটেছে ব্রুনাই ও ইংল্যান্ডে। পরবর্তীতে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠের খেলায় নামেন তিনি।
পেশাদার জগতে আসার আগে তিনি বয়সভিত্তিক ফুটবলে খেলেছেন এএফসি নিউবারি, সাউদাম্পটন, চেলসি এবং লেস্টার সিটির একাডেমি দলগুলোয়।
তবে আর্থিক প্রাচুর্যের তুলনায় পেশাদার ফুটবলে তাঁর পথচলাটা ছিল অত্যন্ত সাদামাটা। মূল ফুটবল ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন পর্তুগালের মারিতিমো এবং থাইল্যান্ডের ক্লাব চনবুড়ি ও রাতচাবুরির হয়ে।
ক্লাব ক্যারিয়ার যেমনই হোক, ব্রুনাই জাতীয় দলের তিনি অন্যতম প্রধান তারকা ও ভরসা। দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন এই ফরোয়ার্ড এবং বর্তমানে ব্রুনাই জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন তিনি।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ




























