মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির দিকে বিনিয়োগকারীদের তীক্ষ্ণ নজর এবং জ্বালানি তেলের দাম কমার মধ্যে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এই মূল্যবান ধাতুর দাম এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৭৮ দশমিক ১৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪১৮ দশমিক ২০ ডলার হয়েছে।
বাইবিটের প্রধান বাজার বিশ্লেষক হান তান বলেন, ‘মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির পরও সোনার বাজারে খুব একটা প্রভাব পড়েনি। ফেডের সুদের হার বৃদ্ধির প্রক্রিয়া খুব বেশি দীর্ঘায়িত হবে না—এমন প্রত্যাশার পাশাপাশি তেলের দাম কমায় তাৎক্ষণিক স্বস্তি পেয়েছে সোনার বাজার।
সাধারণত সোনাকে মূল্যস্ফীতি প্রতিরোধের হাতিয়ার হিসেবে দেখা হলেও সুদের হার বেশি হলে মুনাফাদায়ক সম্পদগুলোর আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে সোনার চাহিদা কমে যায়। গত বুধবার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদের হার বাড়িয়েছে। আগামী মাসগুলোতে এটি আরো বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ২ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৬ দশমিক ৯২ ডলারে পৌঁছেছে। এ ছাড়া প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮১৩ দশমিক ৭০ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩২৪ দশমিক ১২ ডলার হয়েছে।
এদিকে দেশের বাজারে এখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকায, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকায়।
অন্যদিকে, রুপার গহনার মধ্যে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ৭৮২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা।
সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯১ টাকা।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ






















