স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী তাসরীন মুজিবের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুটি পৃথক মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুই মামলায় মোট ১০ কোটি ২৩ লাখ ১৫ হাজার ৪৪৫ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
দুদক জানায়, সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকার সময় ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নামে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করা হয়।
অনুসন্ধানে মজিবুর রহমানের দখলে থাকা ২ কোটি ৭১ লাখ ৬ হাজার ২৫২ টাকা মূল্যের সম্পদের সঙ্গে তার বৈধ বা জ্ঞাত আয়ের উৎসের অসঙ্গতি পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক। সংস্থাটির অভিযোগ, অসাধু উপায়ে এসব সম্পদ অর্জন করে তিনি ভোগদখলে রেখেছেন।
এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।
অন্যদিকে, তার স্ত্রী তাসরীন মুজিবের নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ১৯৩ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুদক। অনুসন্ধানে সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, স্বামীর সহযোগিতায় অসাধু উপায়ে এসব সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন তাসরীন।
এই অভিযোগে তাসরীন মুজিবকে প্রধান আসামি এবং মজিবুর রহমানকে সহযোগী আসামি করে পৃথক মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মামলাটি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় করার কথা রয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রীর নামে থাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মোট মূল্য ১০ কোটি ২৩ লাখ ১৫ হাজার ৪৪৫ টাকা।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ


























