হলিউড তারকা ব্র্যাড পিটের সঙ্গে নব্বইয়ের দশকের বহুল আলোচিত প্রেম ও বিচ্ছেদ নিয়ে নতুন করে স্মৃতিচারণা করেছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী গুইনেথ প্যালট্রো। সম্প্রতি ‘ফ্রেন্ডস কিপ সিক্রেটস’ নামের একটি পডকাস্টে উপস্থিত হয়ে তিনি জানান, কম বয়সে পিটের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সংবাদমাধ্যমের অতিরিক্ত মনোযোগের কারণে তার মানসিক কষ্ট ও সামাজিক চাপ অনেক বেড়ে গিয়েছিল।
১৯৯৪ সালে ‘সেভেন’ সিনেমার সেটে যখন ব্র্যাড পিটের সঙ্গে গুইনেথ প্যালট্রোর দেখা হয়, তখন প্যালট্রোর বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর এবং ৩১ বছর বয়সী পিট ছিলেন প্রতিষ্ঠিত তারকা। সেটের প্রথম দেখাতেই তাদের মধ্যে ভালো লাগা তৈরি হয়। এরপর ১৯৯৬ সালে এই তারকা যুগলের বাগদান সম্পন্ন হয়। তবে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের নজর ও গণমাধ্যমের চুলচেরা বিশ্লেষণের চাপের মুখে ১৯৯৭ সালের জুনে তাদের বাগদান ভেঙে যায়।
বর্তমানে ৫৩ বছর বয়সী প্যালট্রো বিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, সেই সময় সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে এত বেশি আলোচনা করেছিল যে এটিকে একটি ‘কৃত্রিম সাংস্কৃতিক গুরুত্ব’ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, খুব কম বয়সে এই বিচ্ছেদের ফলে আমাকে ব্যর্থতার বাড়তি লজ্জা এবং মানসিক চাপ বয়ে বেড়াতে হয়েছিল। ২০২৩ সালের এক সাক্ষাৎকারেও তিনি জানিয়েছিলেন, তৎকালীন সময়ে তিনি বিয়ের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না বলেই বাগদান ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
অতীতে বিচ্ছেদ হলেও ব্র্যাড পিটের প্রতি প্যালট্রোর কোনো তিক্ততা নেই।
পিটকে একজন ভালো মানুষ উল্লেখ করে তিনি জানান, তাদের মধ্যে এখনো বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। প্যালট্রোর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরই ব্র্যাড পিট অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান এবং ২০০০ সালে বিয়ে করেন। পরে ২০০৫ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয় এবং পিট অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে দীর্ঘকালীন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ





























