ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত রূপপুর প্রকল্প Logo চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ Logo আহত পুলিশ পরিদর্শককে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বার্তা Logo সংবিধান সংশোধন কমিটিকে জামায়াত কোনো পরামর্শ দেবে না: গোলাম পরওয়ার Logo ফ্যামেলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: প্রতিমন্ত্রী টুকু Logo চীনের লাগাম টানতে শুধু স্বচ্ছতা যথেষ্ট নয় Logo লং মার্চে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হলে সবার আগে বিএনপি করত Logo সার্ক পুনরুজ্জীবিতকরণ ও পারস্পরিক বাণিজ্য সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ এলজিআরডি মন্ত্রীর

‘উঠতে পারছেন না’—ডিএমকে নেতার প্রতি থালাপতি, উঠতে সাহায্য করে প্রশংসিত

তামিলনাড়ুর বিধানসভা অধিবেশনে চলাকালে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা মাঝে এক অনন্য ও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়। বিধানসভায় তুমুল হট্টগোলের মধ্যে বিরোধী ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরনকে সাহায্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ।

চেয়ার থেকে উঠতে না পারা বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরের দিকে হাত বাড়িয়ে দেন থালাপতি। এই অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বিজয় স্পিকারের আসনের সামনে ডিএমকে বিধায়কদের অবস্থান ধর্মঘটের সময় এই মানবিক ও সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ নেন।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর এই সৌজন্যমূলক ও মানবিক পদক্ষেপ দেখে শাসক ও বিরোধী উভয় শিবিরের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তা স্বাগত জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই ঘটনার ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতারা বিজয়ের এই আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে আইনসভার উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও এমন মানবিক আচরণ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন ডিএমকে বিধায়কেরা। কিন্তু কথা বলার সুযোগ না পেয়ে তারা বিধানসভা কক্ষ থেকে ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই প্রতিবাদের মাঝেও তিরুভাইয়ারুর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন নিজের আসনেই বসে থাকেন।

পিটিআ্ইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চন্দ্রশেখরন ওয়াকআউটে যোগ না দেওয়ায় বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নজরে আসে। তিনি তখন ওই বিধায়কের কাছে জানতে চান কেন তিনি অন্য ডিএমকে নেতাদের সঙ্গে বাইরে যাচ্ছেন না। জবাবে চন্দ্রশেখরন জানান, তিনি আসন থেকে উঠতে পারছেন না।

বিজয় তখন অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, “‘আপনি উঠতে পারছেন না মানে কী?’এরপর মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিজের আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং চন্দ্রশেখরনকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এমন আন্তরিক সহায়তার পর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন হাত জোড় করে বিজয়কে ধন্যবাদ জানান এবং তারপর অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ওয়াকআউটে যোগ দেন।

এই কথোপকথনটি বিধানসভার মন্ত্রী ও অন্যান্য সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যাঁরা টেবিলে চাপড়ে বিজয়ের এই সৌজন্যের প্রশংসা করেন বলে জানা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এই কথোপকথনের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিজয় চন্দ্রশেখরকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করার পর নিজের আসনে ফিরে যাচ্ছেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত রূপপুর প্রকল্প

‘উঠতে পারছেন না’—ডিএমকে নেতার প্রতি থালাপতি, উঠতে সাহায্য করে প্রশংসিত

আপডেট সময় ০৭:৪৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তামিলনাড়ুর বিধানসভা অধিবেশনে চলাকালে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা মাঝে এক অনন্য ও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয়। বিধানসভায় তুমুল হট্টগোলের মধ্যে বিরোধী ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরনকে সাহায্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ।

চেয়ার থেকে উঠতে না পারা বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরের দিকে হাত বাড়িয়ে দেন থালাপতি। এই অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বিজয় স্পিকারের আসনের সামনে ডিএমকে বিধায়কদের অবস্থান ধর্মঘটের সময় এই মানবিক ও সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ নেন।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর এই সৌজন্যমূলক ও মানবিক পদক্ষেপ দেখে শাসক ও বিরোধী উভয় শিবিরের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তা স্বাগত জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই ঘটনার ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতারা বিজয়ের এই আচরণের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে আইনসভার উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও এমন মানবিক আচরণ এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন ডিএমকে বিধায়কেরা। কিন্তু কথা বলার সুযোগ না পেয়ে তারা বিধানসভা কক্ষ থেকে ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই প্রতিবাদের মাঝেও তিরুভাইয়ারুর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন নিজের আসনেই বসে থাকেন।

পিটিআ্ইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চন্দ্রশেখরন ওয়াকআউটে যোগ না দেওয়ায় বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নজরে আসে। তিনি তখন ওই বিধায়কের কাছে জানতে চান কেন তিনি অন্য ডিএমকে নেতাদের সঙ্গে বাইরে যাচ্ছেন না। জবাবে চন্দ্রশেখরন জানান, তিনি আসন থেকে উঠতে পারছেন না।

বিজয় তখন অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, “‘আপনি উঠতে পারছেন না মানে কী?’এরপর মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিজের আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং চন্দ্রশেখরনকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।

মুখ্যমন্ত্রীর এমন আন্তরিক সহায়তার পর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন হাত জোড় করে বিজয়কে ধন্যবাদ জানান এবং তারপর অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ওয়াকআউটে যোগ দেন।

এই কথোপকথনটি বিধানসভার মন্ত্রী ও অন্যান্য সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যাঁরা টেবিলে চাপড়ে বিজয়ের এই সৌজন্যের প্রশংসা করেন বলে জানা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এই কথোপকথনের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিজয় চন্দ্রশেখরকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করার পর নিজের আসনে ফিরে যাচ্ছেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ