ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর Logo সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি Logo মান্দায় টাপেন্ডাডল ও দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ২ Logo একটি পূর্ণাঙ্গ সড়ক নিরাপত্তা আইন করবে সরকার : সেতুমন্ত্রী Logo সাড়ে ১১ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেবে সরকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নতুন আলোচনার দরকার নেই Logo নড়াইলে মাদরাসাছাত্রকে ধর্ষণের মামলায় শিক্ষকের যাবজ্জীবন Logo ‘দেশবাসী তৈরি হও’ স্লোগানে যুবলীগের মিছিলের ভিডিও ভাইরাল Logo প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত Logo গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হলেই বারবার ফিরিয়ে এনেছে বিএনপি: মাহদী আমিন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নতুন আলোচনার দরকার নেই

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যথাসময়ে ভারত সফর করবেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু ভৌগোলিক সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দুই দেশের অভিন্ন স্বপ্ন ও লক্ষ্য রয়েছে। উভয় দেশই সার্বভৌম, স্বাধীন ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।

একজন প্রকৃত প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

পরিবেশগত সহযোগিতার বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর কোনো সীমান্ত নেই। তাদের চলাচলের জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না। একইভাবে দূষণও কোনো অনুমতি ছাড়াই এক দেশ থেকে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এ কারণে পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং হাতির চলাচল বা মাইগ্রেশন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতা চলছে। কার্বন ক্রেডিট নিয়েও দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতের পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এর ফলে পরিবেশগত সহযোগিতার বিষয়গুলো আরো এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সুন্দরবনের উন্নয়নেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কপ সম্মেলনেও বাংলাদেশ ও ভারত একযোগে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ভারতে সব সময়ই আমন্ত্রণ রয়েছে। তিনি যথাসময়ে ভারত সফর করবেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নতুন আলোচনার দরকার নেই

আপডেট সময় ০৪:১৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যথাসময়ে ভারত সফর করবেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু ভৌগোলিক সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দুই দেশের অভিন্ন স্বপ্ন ও লক্ষ্য রয়েছে। উভয় দেশই সার্বভৌম, স্বাধীন ও প্রাণবন্ত গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।

একজন প্রকৃত প্রতিবেশী হিসেবে দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

পরিবেশগত সহযোগিতার বিষয়ে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর কোনো সীমান্ত নেই। তাদের চলাচলের জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না। একইভাবে দূষণও কোনো অনুমতি ছাড়াই এক দেশ থেকে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এ কারণে পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং হাতির চলাচল বা মাইগ্রেশন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতা চলছে। কার্বন ক্রেডিট নিয়েও দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারতের পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এর ফলে পরিবেশগত সহযোগিতার বিষয়গুলো আরো এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সুন্দরবনের উন্নয়নেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য কপ সম্মেলনেও বাংলাদেশ ও ভারত একযোগে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন ভারতের হাইকমিশনার। তিনি বলেন, দুই দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ভারতে সব সময়ই আমন্ত্রণ রয়েছে। তিনি যথাসময়ে ভারত সফর করবেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ