ঢাকা ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর কাঁচামাল ব্যবসায়ী নাঈমের (২৭) হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরকুল গ্রামের মহিলা মাদ্রাসার পেছনে (শেখেরঘাট) থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাঈম বরমী ইউনিয়নের বড়নল গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। সে প্রতি বুধবার বরমী বাজারে কাঁচা মালের ব্যবসা করতো এবং বাড়ির পাশেই একটি পুকুর ভাড়া নিয়ে মাছের প্রজেক্ট দিয়ে সেখানে মাছ চাষ করতো।

নাঈমের বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার (২ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে নাঈম বাড়ির পাশের পুকুরে তার মাছের প্রজেক্ট দেখার জন্য টর্চ লাইট নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরে সে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাড়িতে ফিরে না আসলে তিনি তার মুঠোফোনে কল দিলে ফোন কেটে দেয়। পরে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকাল হলেও বাড়িতে না আসায় সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পায়নি।

বৃহস্পতিবার সকালে বরকুল গ্রামের মহিলা মাদ্রাসার পেছনে (শেখেরঘাট) স্থানে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করে।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হচ্ছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হবে।

ওসি আরও জানান, ইতোমধ্যে পুলিশ রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

গাজীপুরে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর ব্যবসায়ীর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ১২:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর কাঁচামাল ব্যবসায়ী নাঈমের (২৭) হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে উপজেলার বরমী ইউনিয়নের বরকুল গ্রামের মহিলা মাদ্রাসার পেছনে (শেখেরঘাট) থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাঈম বরমী ইউনিয়নের বড়নল গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। সে প্রতি বুধবার বরমী বাজারে কাঁচা মালের ব্যবসা করতো এবং বাড়ির পাশেই একটি পুকুর ভাড়া নিয়ে মাছের প্রজেক্ট দিয়ে সেখানে মাছ চাষ করতো।

নাঈমের বাবা জামাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার (২ জুন) রাত পৌনে ১২টার দিকে নাঈম বাড়ির পাশের পুকুরে তার মাছের প্রজেক্ট দেখার জন্য টর্চ লাইট নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরে সে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাড়িতে ফিরে না আসলে তিনি তার মুঠোফোনে কল দিলে ফোন কেটে দেয়। পরে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকাল হলেও বাড়িতে না আসায় সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পায়নি।

বৃহস্পতিবার সকালে বরকুল গ্রামের মহিলা মাদ্রাসার পেছনে (শেখেরঘাট) স্থানে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করে।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করা হচ্ছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে পাঠানো হবে।

ওসি আরও জানান, ইতোমধ্যে পুলিশ রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ