ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাকরি ছেড়ে হলেন কৃষি উদ্যোক্তা, পেলেন সফলতা

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মো. সেলিম। একসময় ঢাকায় চাকরি করতেন। পরে ইউটিউব দেখে নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। সেখানে এসে জৈব সার উৎপাদনে যুক্ত হন। তিনি পরিবেশবান্ধব ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন করে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মো. সেলিম বলেন, ‌‘আমার সফলতা দেখে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রশংসা করেন। এভাবে আগাতে থাকলে একসময় সফলতা আসবেই। কৃষকদের জৈব ভার্মি কম্পোস্টে উপকার হলে আমরাই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবো।’

উপসহকারী কৃষি অফিসার প্রণব কুমার রায় বলেন, ‘রাসায়নিক সার দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। সেই তুলনায় ভার্মি কম্পোস্ট সার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব।

তিনি বলেন, ‘সেলিম নিজের জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে এই সার ব্যবহার করে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও অন্যান্য সবজি চাষে রাসায়নিক সারের সমমান ফলন পেয়েছেন।’

কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। উৎপাদন খরচ কমে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। সেলিমের এ উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের জৈব কৃষির প্রতি আগ্রহী করে তুলছে। টেকসই কৃষি ব্যবস্থার পথে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

চাকরি ছেড়ে হলেন কৃষি উদ্যোক্তা, পেলেন সফলতা

আপডেট সময় ০২:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বাবুখালী গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা মো. সেলিম। একসময় ঢাকায় চাকরি করতেন। পরে ইউটিউব দেখে নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। সেখানে এসে জৈব সার উৎপাদনে যুক্ত হন। তিনি পরিবেশবান্ধব ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন করে সফলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

মো. সেলিম বলেন, ‌‘আমার সফলতা দেখে এলাকার সাধারণ মানুষ প্রশংসা করেন। এভাবে আগাতে থাকলে একসময় সফলতা আসবেই। কৃষকদের জৈব ভার্মি কম্পোস্টে উপকার হলে আমরাই সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবো।’

উপসহকারী কৃষি অফিসার প্রণব কুমার রায় বলেন, ‘রাসায়নিক সার দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। সেই তুলনায় ভার্মি কম্পোস্ট সার সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব।

তিনি বলেন, ‘সেলিম নিজের জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে এই সার ব্যবহার করে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও অন্যান্য সবজি চাষে রাসায়নিক সারের সমমান ফলন পেয়েছেন।’

কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘ভার্মি কম্পোস্ট ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। উৎপাদন খরচ কমে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। সেলিমের এ উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের জৈব কৃষির প্রতি আগ্রহী করে তুলছে। টেকসই কৃষি ব্যবস্থার পথে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি