ঢাকা ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo এআইয়ের নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা চান ৪০০ বিজ্ঞানী Logo সিন্ডিকেট করে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে, আর তা নিয়ন্ত্রণ করছে বিএনপি: নাহিদ ইসলাম Logo ঢাকা থেকে দাম্মাম ফ্লাইট স্থগিত: ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলাচল বন্ধ ঘোষণা Logo আগাম প্রস্তুতিতে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo যে কোম্পানিতে চাকরি, সেই কোম্পানিরই সাড়ে ১৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ Logo ইয়েমেনে রাজধানীতে ব্যাপক হামলার প্রস্তুতি, বেসামরিকদের সরে যাওয়ার নির্দেশ সৌদি জোটের Logo প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: পরিবেশমন্ত্রী Logo চুয়েটে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশি পাহারায় ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি Logo ড. ইউনূসের সঙ্গে সন্ত্রাসীরা যে অপকর্ম করেছে, তার দায় শেখ হাসিনারই Logo স্বস্তি দিতে গিয়েই অস্বস্তিতে সৌদি আরব?

ফ্যামিলি কার্ডের নামে কেউ টাকা চাইলে পুলিশে দিন: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সরকার ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড করতে কোনো টাকা লাগবে না জানিয়ে নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, একটি মহল কার্ড করার নামে নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে বলে খবর পাচ্ছি। তারা প্রতারণা করছে। এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। কোনো টাকার প্রয়োজন নেই। কেউ টাকা চাইলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করবো।

মঙ্গলবার রাতে ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের কাছে এই কথা বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

ডা. জাহিদ বলেন, আমরা খবর পেয়েছি রাজধানীর কড়াইল বস্তি, ময়মনসিংহে একটি চক্র ফ্যামিলি কার্ড করার নামে টাকা দাবি করছে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি এই কার্ড করতে কোনো টাকা লাগবে না। কেউ এমনটা করলে তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, গণমাধ্যমকে জানাতে বলবো।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটা ইউনিভার্সেল কার্ড। এখানে কোনো ধরণের ভুল করার সুযোগ নেই। এখানে দলীয় লোকদের কোনো সম্পৃক্ততারও সুযোগ নেই। সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মাধ্যমে এটি তালিকাভুক্ত করা হবে৷ ওয়ার্ড পর্যায়ে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা এটি তদারকি করবেন। এখানে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেয়ার কিংবা বাড়তি যুক্ত করারও সুযোগ নেই। এখানে সবাইকেই যুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবৃত্ত এই শ্রেণির মানুষ সবার আগে কার্ড পাবেন। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীরাও কার্ড পাবেন। স্বাভাবিকভাবেই তারা পরে পাবেন। সবচেয়ে ভারনাবল ৪০শতাংশ মানুষ সবার আগে পাবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রথমে আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করবো। পরে উপজেলা পর্যায়ে এসে এই তথ্যগুলো পুনরায় যাচাই করবো। প্রতিমাসে আমাদের সমাজকল্যাণ কর্মী আছে, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মী আছে, কৃষি বিভাগের কর্মীরা আছে তাদেরকে দিয়ে তথ্য নেয়ার মাধ্যমে আমরা ঢাকা থেকে বলে দিতে পারবো ওমুক গ্রামে কে এই সুবিধাভোগী।

ডা. জাহিদ বলেন, গ্রাহক কোনো মাসে টাকা না পেলে অনলাইন এবং অফলাইন উভয় প্রক্রিয়ায় অভিযোগ করতে পারবেন। অফলাইনে উপজেলা পরিষদ/ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গিয়ে অভিযোগ জানানো যাবে। ওয়ার্ড লেভেলে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা এবং চারজন কর্মচারী থাকবে এসব বিষয় তদারকির জন্য। আর এই টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে গ্রাহক যে মাধ্যমে টাকা পেতে চাইবেন সেভাবে সরাসরি তার কাছে চলে যাবে। কেউ যদি টাকা না তুলে সেটাও অটোমেটিকালভাবে সফটওয়ারের মাধ্যমে বোঝা যাবে উনি টাকা তুলেননি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা খুবই আশাবাদী এই উদ্যোগ নিয়ে। যদি মাঠ পর্যায়ের তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ করা যায়, তাহলে অর্থ বিতরণও সঠিকভাবে করা যাবে।

বাংলা৭১নিউজ/এএস

Tag :

এআইয়ের নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক তদারকি সংস্থা চান ৪০০ বিজ্ঞানী

ফ্যামিলি কার্ডের নামে কেউ টাকা চাইলে পুলিশে দিন: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকার ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড করতে কোনো টাকা লাগবে না জানিয়ে নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, একটি মহল কার্ড করার নামে নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে বলে খবর পাচ্ছি। তারা প্রতারণা করছে। এই কার্ড সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। কোনো টাকার প্রয়োজন নেই। কেউ টাকা চাইলে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ করবো।

মঙ্গলবার রাতে ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের কাছে এই কথা বলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

ডা. জাহিদ বলেন, আমরা খবর পেয়েছি রাজধানীর কড়াইল বস্তি, ময়মনসিংহে একটি চক্র ফ্যামিলি কার্ড করার নামে টাকা দাবি করছে। আমরা স্পষ্ট করে বলেছি এই কার্ড করতে কোনো টাকা লাগবে না। কেউ এমনটা করলে তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, গণমাধ্যমকে জানাতে বলবো।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটা ইউনিভার্সেল কার্ড। এখানে কোনো ধরণের ভুল করার সুযোগ নেই। এখানে দলীয় লোকদের কোনো সম্পৃক্ততারও সুযোগ নেই। সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারীদের মাধ্যমে এটি তালিকাভুক্ত করা হবে৷ ওয়ার্ড পর্যায়ে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা এটি তদারকি করবেন। এখানে কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেয়ার কিংবা বাড়তি যুক্ত করারও সুযোগ নেই। এখানে সবাইকেই যুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবৃত্ত এই শ্রেণির মানুষ সবার আগে কার্ড পাবেন। মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের নারীরাও কার্ড পাবেন। স্বাভাবিকভাবেই তারা পরে পাবেন। সবচেয়ে ভারনাবল ৪০শতাংশ মানুষ সবার আগে পাবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রথমে আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করবো। পরে উপজেলা পর্যায়ে এসে এই তথ্যগুলো পুনরায় যাচাই করবো। প্রতিমাসে আমাদের সমাজকল্যাণ কর্মী আছে, স্বাস্থ্যকর্মী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মী আছে, কৃষি বিভাগের কর্মীরা আছে তাদেরকে দিয়ে তথ্য নেয়ার মাধ্যমে আমরা ঢাকা থেকে বলে দিতে পারবো ওমুক গ্রামে কে এই সুবিধাভোগী।

ডা. জাহিদ বলেন, গ্রাহক কোনো মাসে টাকা না পেলে অনলাইন এবং অফলাইন উভয় প্রক্রিয়ায় অভিযোগ করতে পারবেন। অফলাইনে উপজেলা পরিষদ/ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে গিয়ে অভিযোগ জানানো যাবে। ওয়ার্ড লেভেলে একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা এবং চারজন কর্মচারী থাকবে এসব বিষয় তদারকির জন্য। আর এই টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে গ্রাহক যে মাধ্যমে টাকা পেতে চাইবেন সেভাবে সরাসরি তার কাছে চলে যাবে। কেউ যদি টাকা না তুলে সেটাও অটোমেটিকালভাবে সফটওয়ারের মাধ্যমে বোঝা যাবে উনি টাকা তুলেননি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা খুবই আশাবাদী এই উদ্যোগ নিয়ে। যদি মাঠ পর্যায়ের তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ করা যায়, তাহলে অর্থ বিতরণও সঠিকভাবে করা যাবে।

বাংলা৭১নিউজ/এএস