বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৬৪, আহত প্রায় এক হাজার গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ৯ বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা, প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা করলে কঠোর শাস্তি : শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরের বাইরে পৃথক কার্গো ভিলেজ গড়ার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী মাদক মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিস্তা ও অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-চীনের ঐকমত্য বিগত সময়ের ১৩০০ উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের জন্য বোঝা : অর্থমন্ত্রী বেসরকারি মেডিকেলে এমবিবিএস এ মেধাবীদের জন্য ৫% কোটা চালু রয়েছে চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী বাংলাদেশ

উত্তরাঞ্চলে তীব্র শীতের দাপট, রংপুর মেডিকেলে ১৬ রোগীর মৃত্যু

রংপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে
রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলজুড়ে তীব্র শীতের প্রকোপে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হিমেল বাতাস, ঘন কুয়াশা ও সূর্যের অনুপস্থিতিতে শীতের তীব্রতা আরো বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও নিম্ন আয়ের মানুষ। শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে গত দুই সপ্তাহে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। একই দিনে রংপুরে ১১.৯, তেঁতুলিয়ায় ৮.৬, সৈয়দপুরে ৯, ডিমলায় ৯, ঠাকুরগাঁওয়ে ৯.৫, রাজারহাট ও লালমনিরহাটে ১০ দশমিক ৫ এবং গাইবান্ধায় ৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় কুয়াশা কাটছে না, ফলে প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়েও বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে।

রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

ভোর থেকে সূর্যের দেখা না মেলায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে, এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে।রমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মৃতদের মধ্যে নয়জন শিশু ও সাতজন বয়স্ক। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি, কোল্ড ডায়রিয়া ও হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।

শিশু ও মেডিসিন ওয়ার্ডে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি হওয়ায় শয্যা সংকট দেখা দিয়েছে, অনেককে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।রমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, শীতকালীন সময়ে নিউমোনিয়া, হাঁপানি ও ব্রংকাইটিসের মতো রোগ বেশি দেখা যায়। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের বড় অংশই শীতজনিত রোগে আক্রান্ত। তিনি শিশু ও বয়স্কদের গরম কাপড় পরানো, কুসুম গরম পানি পান করানো এবং অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চলে জানুয়ারি মাসে আরও ২–৩টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতের এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।এ অবস্থায় শীতার্ত মানুষের সহায়তায় দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষের জন্য পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ এবং হাসপাতালে বাড়তি চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

বাংলা৭১নিউজ/এসএকে

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com