বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে : অর্থমন্ত্রী বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা চুক্তি সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার: মির্জা ফখরুল জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বুলেট ট্রেনে’ ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী ‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

বিজয় দিবসে ‘শেষ প্রহর’

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০১ বার পড়া হয়েছে

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৬ ডিসেম্বর রাত ১০টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচার হবে বিশেষ নাটক ‘শেষ প্রহর’। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় এটি পরিচালনা করেছেন চয়নিকা চৌধুরী। অভিনয় করেছেন শাশ্বত দত্ত, আইশা খান, আবুল হায়াত প্রমুখ।

গল্পে দেখা যাবে, আনুশকা কানাডা থেকে দেশে এসেছে পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করার উদ্দেশ্যে। বাবা মারা যাওয়ার পর দেশে তার আর কেউ নেই। বাবার বন্ধু হায়াত আংকেলের বাসায় উঠেছে। হায়াত আংকেলের একমাত্র ছেলে অভিক পড়াশোনা করে বিদেশে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করছে। আনুশকার সঙ্গে শুরু থেকেই তার ঝগড়া লেগে থাকে। দুইজন যেন টম অ্যান্ড জেরি। আনুশকার জমি বিক্রির কথা শুনে হায়াত আংকেল একটু দুঃখ পান।

কারণ, ওই জমিতে গ্রামের মেয়েরা হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং হাঁস মুরগির খামার গড়ে তুলেছে। স্বাবলম্বী নারী সংঘ নামে একটি সংগঠন করেছে তারা। জমিটা বিক্রি করে দিলে মেয়েরা বিপদে পড়বে। তাই হায়াত আংকেল আনুশকাকে তার সিদ্ধান্তটা নিয়ে আবার ভাবতে বলেন। কিন্তু আনুশকা রাজি নয়। সে জমি বিক্রি করবেই। এদিকে হায়াত সাহেবের পরিবারে এক ঝামেলা তৈরি হয়। স্থানীয় এক নেতা তার একটি জমি কিনতে চায়। কিন্তু হায়াত সাহেব তার কাছে জমি বিক্রি করতে চান না।

নেতা তার লোকজন নিয়ে বাসায় এসে হুমকি দিয়ে যায়। হায়াত সাহেবকে হেনস্তা করে। আনুশকা জানতে চায়, এত কিছুর পরও হায়াত আংকেল কেন জমিটা বিক্রি করছেন না? হায়াত সাহেব বলেন, ‘আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা। দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি। এই লোক দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। সে একজন রাজাকার। আমি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে তার মতো একজন রাজাকারের কাছে জমি বিক্রি করবো না। এই জমি আমার বাপ-দাদার স্মৃতি বিজড়িত। এটা আমি কোনো রাজাকারের হাতে তুলে দিতে পারি না।’

হায়াত সাহেবের কথা শুনে আনুশকার চোখ খুলে যায়। সে তার সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে। নতুন করে দেশ নিয়ে, দেশের স্বাধীনতা নিয়ে ভাবতে শুরু করে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com