ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৭৪ Logo দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দিতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে যাওয়ার পথে দুজনের মৃত্যু, আর্থিক সহায়তার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর Logo বিএনপি সব বিপ্লবের সুবিধা নিয়ে আওয়ামী লীগের মতো হতে চায়: হাসনাত আবদুল্লাহ Logo মানিকগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত Logo রাজধানীর নয়াপল্টনের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo দশ বছরে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ তিন গুণ বেড়েছে , বকেয়া ১৪ লাখ কোটি টাকা Logo হালাল শিল্পের অপার সম্ভাবনা: প্রয়োজন সমন্বিত নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন Logo নয়াপল্টনে বিএনপির শোভাযাত্রায় হাতি-ঘোড়ার গাড়ি Logo সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু-নারীসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

৭ নভেম্বর ছিল ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক প্রতিরোধ

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী ও সাধারণ জনতার এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সহযোগিতা করলেও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওপর নানানভাবে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করা হয় এবং জনগণ তা মেনে নেয়নি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মসজিদের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আরেকটি বিশাল আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়।

র‍্যালি ও মতবিনিময় সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বিএনপি সরকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, ওই দিনের ঘটনাটি ছিল, মূলত ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী ও সাধারণ জনতার এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সহযোগিতা করলেও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওপর নানানভাবে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করা হয় এবং জনগণ তা মেনে নেয়নি।

তিনি আরো বলেন, একাত্তরের পরে ৭৫ পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নানা হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে। তাঁর মতে, পঁচাত্তরের আগের সময়টিতে যেমন ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছিল, তেমনি চব্বিশের আন্দোলনেও ফ্যাসিবাদের দোসররা গণহত্যা চালিয়েছে।

৬৯, ৯০ এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পূর্বের সব আন্দোলনকে ছাড়িয়ে গেলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র প্রকৃত ‘বিপ্লব’ সংগঠিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর, যার নেতৃত্ব দিয়েছিল তৎকালীন সিপাহী ও জনতা।

১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের সেনা অভ্যুত্থান এবং পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এতদিন জাতিকে মিথ্যা ইতিহাস ও ভুল বয়ান শোনানো হয়েছে। এখন সময় এসেছে সঠিক ও সত্য ইতিহাস জানানোর।

তিনি আরো বলেন, অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যেমন দেশের বড় পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল, তেমনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গঠনের এই যাত্রায় দেশের সকল রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে এসে সহযোগিতা করতে হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুতে আরো ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৬৭৪

৭ নভেম্বর ছিল ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক প্রতিরোধ

আপডেট সময় ০২:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী ও সাধারণ জনতার এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সহযোগিতা করলেও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওপর নানানভাবে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করা হয় এবং জনগণ তা মেনে নেয়নি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) ঝিনাইদহে অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মসজিদের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে আরেকটি বিশাল আনন্দ র‍্যালি বের করা হয়।

র‍্যালি ও মতবিনিময় সভা শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি যথাযথভাবে পালন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে বিএনপি সরকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে সারা দেশে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে।

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ইতিহাস তুলে ধরে রাশেদ খান বলেন, ওই দিনের ঘটনাটি ছিল, মূলত ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সিপাহী ও সাধারণ জনতার এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারত সহযোগিতা করলেও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ওপর নানানভাবে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করা হয় এবং জনগণ তা মেনে নেয়নি।

তিনি আরো বলেন, একাত্তরের পরে ৭৫ পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নানা হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে। তাঁর মতে, পঁচাত্তরের আগের সময়টিতে যেমন ভিন্নমতের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছিল, তেমনি চব্বিশের আন্দোলনেও ফ্যাসিবাদের দোসররা গণহত্যা চালিয়েছে।

৬৯, ৯০ এবং ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পূর্বের সব আন্দোলনকে ছাড়িয়ে গেলেও বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র প্রকৃত ‘বিপ্লব’ সংগঠিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর, যার নেতৃত্ব দিয়েছিল তৎকালীন সিপাহী ও জনতা।

১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের সেনা অভ্যুত্থান এবং পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এতদিন জাতিকে মিথ্যা ইতিহাস ও ভুল বয়ান শোনানো হয়েছে। এখন সময় এসেছে সঠিক ও সত্য ইতিহাস জানানোর।

তিনি আরো বলেন, অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যেমন দেশের বড় পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল, তেমনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গঠনের এই যাত্রায় দেশের সকল রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে এসে সহযোগিতা করতে হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ