ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo চট্টগ্রামের স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ১৪ মিলিয়ন ডলার ঋণ Logo ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা Logo কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে ১০ নভেম্বর তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo হত্যা মামলায় সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে Logo নতুন কুঁড়ির সেরা ৪০ জনকে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তির আমন্ত্রণপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী Logo বন্যা ও ভূমিধসে আক্রান্ত সাড়ে ৭৬ কোটি মানুষ, ৯৯ শতাংশই নিম্ন আয়ের দেশে Logo এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন Logo এবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার ২ দিনের রিমান্ড Logo হাসিনার রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীরা গার্মেন্টসে আগুন দিচ্ছেন : রিজভী

আজ জেলহত্যা দিবস

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর রাতে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। কারাগারে বন্দি অবস্থায় ৫১ বছর আগে হত্যা করা হয় জাতীয় এই চার নেতাকে। এ হত্যার ঘটনায় করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত থেমে ছিল ২১ বছর। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা আট এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন।

সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই অধরা। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন।

দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ১৪ মিলিয়ন ডলার ঋণ

আজ জেলহত্যা দিবস

আপডেট সময় ১০:১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

আজ ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর রাতে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

দিনটি জাতির ইতিহাসে একটি বেদনাবিধুর দিন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর তাঁর ঘনিষ্ঠ এই চার সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। কারাগারে বন্দি অবস্থায় ৫১ বছর আগে হত্যা করা হয় জাতীয় এই চার নেতাকে। এ হত্যার ঘটনায় করা মামলা জেলহত্যা মামলা নামে পরিচিতি পায়।

জাতীয় চার নেতাকে হত্যার ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত থেমে ছিল ২১ বছর। ১৯৯৬ সালের জুন মাসে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৯ বছর পর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা আট এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তিনজন।

সাজাপ্রাপ্ত ১১ আসামির মধ্যে ১০ জনই অধরা। একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায়ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন।

দেশে ফেরার পর ২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি ধরা পড়েন এবং ওই মাসেই তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ