ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু: নুরুল হক Logo জয়-পুতুলসহ সিআরআইয়ের ৮ জনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ Logo এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশের যেসব এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে Logo বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যয় নয়, জাতীয় অগ্রগতির বিনিয়োগ : প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা Logo ২০৩৪ সালের মধ্যে জিডিপি ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে, আশা প্রধানমন্ত্রীর Logo সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুজন ৫ দিনের রিমান্ডে Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না: নাহিদ ইসলাম Logo সাবেক এমপি আব্দুর রউফ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা Logo মিরপুর-১ নম্বরে আড়াই ঘণ্টার অভিযানে ২ হাজার দোকান উচ্ছেদ Logo গোপালগঞ্জে শিশু মুহিন হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান

রাশিয়া থেকে আমদানি করা দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির (ইউরেনিয়াম) দ্বিতীয় চালান নিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে জ্বালানিবাহী তিনটি লরি প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৪৬ মিনিটে লরিগুলো রূপপুর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে রাশিয়া থেকে আসা একটি বিশেষ কার্গো বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটম জানিয়েছে, রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি কার্গো বিমানে ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি বাংলাদেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়াও প্রথম ইউনিটে পুনরায় জ্বালানি সরবরাহের জন্য আরও দুটি কার্গো চালানে অতিরিক্ত ৪৮টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি ইতোমধ্যে আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট নয়টি চালানে এসব পারমাণবিক জ্বালানি দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রাশিয়ার প্রযুক্তিতে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভিভিইআর-১২০০ মডেলের দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট; দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।

এদিকে, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

বায়েরা চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে প্রথম ইউনিটটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরবর্তী ধাপ স্টেজ-সি বা পাওয়ার স্টার্টআপ পর্যায়ে প্রবেশ করবে। এ পর্যায়ে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়িয়ে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন শেষে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু: নুরুল হক

কড়া নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান

আপডেট সময় ১১:০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

রাশিয়া থেকে আমদানি করা দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানির (ইউরেনিয়াম) দ্বিতীয় চালান নিয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে জ্বালানিবাহী তিনটি লরি প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৪৬ মিনিটে লরিগুলো রূপপুর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। এর আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১৪ মিনিটে পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে রাশিয়া থেকে আসা একটি বিশেষ কার্গো বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটম জানিয়েছে, রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি কার্গো বিমানে ১৬৩টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি বাংলাদেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়াও প্রথম ইউনিটে পুনরায় জ্বালানি সরবরাহের জন্য আরও দুটি কার্গো চালানে অতিরিক্ত ৪৮টি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি ইতোমধ্যে আনা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট নয়টি চালানে এসব পারমাণবিক জ্বালানি দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

রাশিয়ার প্রযুক্তিতে নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভিভিইআর-১২০০ মডেলের দুটি ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট; দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।

এদিকে, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

বায়েরা চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে প্রথম ইউনিটটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরবর্তী ধাপ স্টেজ-সি বা পাওয়ার স্টার্টআপ পর্যায়ে প্রবেশ করবে। এ পর্যায়ে ধাপে ধাপে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়িয়ে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন শেষে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ