জাকার্তায় আজ বিকেলে লাওস-ব্রুনাই ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠছে ফিফা আসিয়ান কাপের। আগামীকাল বিকেল ৩টায় মালয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ বাংলাদেশের। প্রতিযোগিতার ডিভিশন-১-এ খেলছেন হামজা চৌধুরী-জামাল ভূঁইয়ারা। তাদের প্রায় সব প্রতিপক্ষই র্যাঙ্কিংয়ে বেশ এগিয়ে। তাই বলে তাদের ভয় পাচ্ছেন না হামজা চৌধুরী। শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে খেলাকে অভিজ্ঞতা অর্জনের বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন ইংল্যান্ডের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডে খেলা এ ফুটবলার। এর মধ্য দিয়ে নিজেদের সামর্থ্যটাও যাচাই হয়ে যাবে বলে মনে করছেন তিনি।
আসিয়ান কাপে অংশ নিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় পৌঁছায় বাংলাদেশ দল। পরদিন হামজা চৌধুরী ইংল্যান্ড থেকে সরাসরি জাকার্তায় গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেন। গতকাল দলের সঙ্গে অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন তিনি। এমন বড় একটি টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে বেশ আনন্দিত হামজা। এই আসর থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেশকে গর্বিত করতে চান তারকা এ ফুটবলার, ‘আমরা এখানে কাউকে ভয় পেতে আসিনি। আমরা জানি, আমাদের সামর্থ্য কতটুকু। এটি আমাদের জন্য শেখার সুযোগ। আমরা এখানে যতটা সম্ভব অভিজ্ঞতা অর্জন করতে এসেছি এবং আশা করি, আমাদের দেশকে গর্বিত করতে পারব।’
ইন্দোনেশিয়ায় আতিথেয়তা ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েও সন্তুষ্ট হামজা। স্থানীয় মানুষের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ এবং ফুটবলের জনপ্রিয়তায় তিনি মুগ্ধ, ‘এখানকার মানুষ খুব বন্ধুত্বপূর্ণ, অত্যন্ত দয়ালু। এখানে ফুটবলের বিশাল জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং সুযোগ-সুবিধাও বেশ ভালো। আমি আগামী শুক্রবার মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি।’
প্রতিপক্ষ দলগুলো সম্পর্কেও ইতিবাচক হামজা। তাদের র্যাঙ্কিং, খেলোয়াড়দের মান এবং কোচের প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, আগামী বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে এই দলগুলো বেশ ভালো করবে। শেফিল্ডের এই তারকা বলেন, ‘তাদের র্যাঙ্কিং বেশ ভালো। তাদের দলে দারুণ মানসম্পন্ন খেলোয়াড় রয়েছে। খুব ভালো কোচও আছেন, বিশেষ করে পরবর্তী বিশ্বকাপে বাছাইপর্বে তারা যদি বিশ্বকাপে যাওয়ার দৌড়ে না থাকে, তাহলে আমি অবাকই হব।’
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের তিন প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান র্যাঙ্কিং ১১৮, মালয়েশিয়া ১৩৬তম এবং সিঙ্গাপুরের অবস্থান ১৪৮তম। ইংল্যান্ড থেকে আসার পথে বিমানে হামজার দেখা হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার তরুণ ফুটবলার অ্যালকান ব্যাগটের সঙ্গে। তিনি ইংল্যান্ডের চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব মিলওয়ালে খেলেন। তাঁর বিপক্ষে খেলার অপেক্ষায় আছেন হামজা। ব্যাগট তরুণ ও সম্ভাবনাময় হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। বাংলাদেশ দলের অনুশীলন নিয়েও সন্তুষ্ট হামজা। ইন্দোনেশিয়ার অনুশীলন মাঠ, হোটেল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধারও বেশ প্রশংসা করেছেন তিনি, ‘অনুশীলনের জন্য আমরা দারুণ মাঠ পেয়েছি। আমরা এটি উপভোগ করেছি। মূল স্টেডিয়াম এখনও দেখিনি। আশা করছি, সেটিও ভালো হবে। হোটেল অসাধারণ, সবাই ভীষণ বন্ধুত্বপূর্ণ। আমরা সময়টা উপভোগ করছি।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ




























