ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo চীনের সঙ্গে স্বাস্থ্য সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব স্বাস্থ্যমন্ত্রীর Logo বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল: প্রতিমন্ত্রী টুকু Logo হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১০৪৮ Logo গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় আরো চার আসামি কারাগারে Logo ‘যেকোনো নাগরিক যেকোনো সময় দেশ ছাড়তে পারে আবার ঢুকতেও পারে’ Logo অস্ট্রেলিয়ায় হাঙরের হামলায় প্রাণ গেল সাঁতারুর Logo আবাদি জমিতে নদী খননের স্তূপ, বালুচাপা কৃষকের স্বপ্ন Logo জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে যাচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস Logo বিএনপি সরকার গুমের ঘটনার তদন্ত চায় না: নাহিদ ইসলাম Logo রাশেদ খাঁনের কাজই জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ‘নেগেটিভ’ কথা বলা: সাদ্দাম

নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

নরসিংদীর মাধবদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধা জাহানারা বেগমকে (৭৩) হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাধবদী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জানানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের স্বর্পনিগৈড় গ্রামের মৃত হারুন মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (২৭), একই গ্রামের ছায়েদের ছেলে কাদির মিয়া (২৭) ও আকমান মিয়ার ছেলে আবু মিয়া (২৯)।

সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আশিকুর রহমান জানায়, গত ৩০ জুলাই সন্ধ্যায় মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের স্বর্পনিগৈড় গ্রামে নিজ বাড়ির বারান্দায় নামাজরত অবস্থায় জাহানারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল মিয়া বাদী হয়ে মাধবদী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পরেই তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত হৃদয় মিয়াকে ৯ আগস্ট, কাদির মিয়াকে ৩০ আগস্ট এবং আবু মিয়াকে ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করে। পর্যায়ক্রমে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর বরাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, নিহত জহুরা খাতুনের গলার সোনার চেইন চুরির উদ্দেশ্যে প্রায় ৭ থেকে ৮ মাস আগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বসে পরিকল্পনা করে তারা। ৩০ জুলাই ঘটনার দিন বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। জহুরা খাতুন নামাজরত থাকা অবস্থায় তার বাড়িতে প্রবেশ করে তার গলা থেকে চেইন খুলে নেওয়ার চেষ্টাকালে বিদ্যুৎ চলে আসলে সন্ত্রাসীদের তিনি চিনে ফেললে এবং বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠ ও মাথায় আঘাত করে তার গলার সোনার চেইন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।

তিনি আরও জানান, লুণ্ঠিত সোনার চেইন উদ্ধার ও এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার হৃদয় ও কাদিরের বিরুদ্ধে এর আগেও পৃথক মামলা রয়েছে।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজীব শাহরীন এবং মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

চীনের সঙ্গে স্বাস্থ্য সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্ব স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩

আপডেট সময় ০৭:৩১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নরসিংদীর মাধবদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধা জাহানারা বেগমকে (৭৩) হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাধবদী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জানানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন, মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের স্বর্পনিগৈড় গ্রামের মৃত হারুন মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া (২৭), একই গ্রামের ছায়েদের ছেলে কাদির মিয়া (২৭) ও আকমান মিয়ার ছেলে আবু মিয়া (২৯)।

সংবাদ সম্মেলনে নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আশিকুর রহমান জানায়, গত ৩০ জুলাই সন্ধ্যায় মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের স্বর্পনিগৈড় গ্রামে নিজ বাড়ির বারান্দায় নামাজরত অবস্থায় জাহানারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল মিয়া বাদী হয়ে মাধবদী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা দায়েরের পরেই তদন্ত শুরু করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত হৃদয় মিয়াকে ৯ আগস্ট, কাদির মিয়াকে ৩০ আগস্ট এবং আবু মিয়াকে ১৬ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করে। পর্যায়ক্রমে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর বরাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, নিহত জহুরা খাতুনের গলার সোনার চেইন চুরির উদ্দেশ্যে প্রায় ৭ থেকে ৮ মাস আগে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বসে পরিকল্পনা করে তারা। ৩০ জুলাই ঘটনার দিন বিদ্যুৎ না থাকার সুযোগে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় তারা। জহুরা খাতুন নামাজরত থাকা অবস্থায় তার বাড়িতে প্রবেশ করে তার গলা থেকে চেইন খুলে নেওয়ার চেষ্টাকালে বিদ্যুৎ চলে আসলে সন্ত্রাসীদের তিনি চিনে ফেললে এবং বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠ ও মাথায় আঘাত করে তার গলার সোনার চেইন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তারা।

তিনি আরও জানান, লুণ্ঠিত সোনার চেইন উদ্ধার ও এর সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার হৃদয় ও কাদিরের বিরুদ্ধে এর আগেও পৃথক মামলা রয়েছে।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজীব শাহরীন এবং মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ