ঢাকা ০৮:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারা কখনো ক্ষমতায় গেলে দেশটাকে জামায়াতে জাহেলিয়াত বানাবে: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেন, ‘অতীতে দেখেছি, সরকারি দলের লোকজন বেপরোয়া হয়, কিন্তু এখন দেখছি প্রধান বিরোধীদল হয়েই জামায়াত শিবির বেপরোয়া হয়ে গেছে। ক্ষমতায় না যেতেই যারা মজলুম থেকে জালিমে পরিণত হয়েছে, তারা কখনো ক্ষমতায় গেলে দেশটাকে জামায়াতে জাহেলিয়াত বানাবে।’

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এদিন সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এস আলমের সময়ে নিয়োগ পাওয়া চাকরিচ্যুতরা তাদের পুনর্বহালের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাংকের সামনে জড়ো হন। একই সময়ে সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছিলেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তারা একে অপরকে ধাওয়া করে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুতদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ এর নামে (পাল্টা কর্মসূচির আয়োজন করে) জামায়াত শিবিরের পালিত সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। চাকরি হারানো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা কি প্রতিবাদ জানাতে পারবে না? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসকল লোকদের চাকরিচ্যুত করে ইসলামি ব্যাংককে জামায়াত-শিবিরের লোকদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। কিন্তু ভুক্তভোগীরা চাকরি ফিরে পেতে প্রতিবাদ করলে জামায়াত শিবির হামলা চালাবে? এই অধিকার তাদের কে দিলো?

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

তারা কখনো ক্ষমতায় গেলে দেশটাকে জামায়াতে জাহেলিয়াত বানাবে: রাশেদ খাঁন

আপডেট সময় ০৬:০২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেন, ‘অতীতে দেখেছি, সরকারি দলের লোকজন বেপরোয়া হয়, কিন্তু এখন দেখছি প্রধান বিরোধীদল হয়েই জামায়াত শিবির বেপরোয়া হয়ে গেছে। ক্ষমতায় না যেতেই যারা মজলুম থেকে জালিমে পরিণত হয়েছে, তারা কখনো ক্ষমতায় গেলে দেশটাকে জামায়াতে জাহেলিয়াত বানাবে।’

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ফেসবুক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এদিন সকালে রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে এস আলমের সময়ে নিয়োগ পাওয়া চাকরিচ্যুতরা তাদের পুনর্বহালের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যাংকের সামনে জড়ো হন। একই সময়ে সেখানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছিলেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তারা একে অপরকে ধাওয়া করে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশত মানুষ আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুতদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচিতে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ এর নামে (পাল্টা কর্মসূচির আয়োজন করে) জামায়াত শিবিরের পালিত সন্ত্রাসীরা হামলা করেছে। চাকরি হারানো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা কি প্রতিবাদ জানাতে পারবে না? অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসকল লোকদের চাকরিচ্যুত করে ইসলামি ব্যাংককে জামায়াত-শিবিরের লোকদের পুনর্বাসন করা হয়েছে। কিন্তু ভুক্তভোগীরা চাকরি ফিরে পেতে প্রতিবাদ করলে জামায়াত শিবির হামলা চালাবে? এই অধিকার তাদের কে দিলো?

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ