ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo প্রতি উপজেলায় বয়স্কদের পুনর্বাসনে কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে Logo ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Logo ছিনতাইয়ের কবলে শিক্ষিকা নিহত : গ্রেপ্তার দুই আসামিকে নিয়ে যা জানাল র‍্যাব Logo সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পক্ষের সমঝোতা, ৩০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পেল তিশা Logo জলদস্যুদের কবল থেকে জিম্মি জাহাজ উদ্ধার করলো তুরস্ক-সোমালিয়ার যৌথ বাহিনী Logo তায়েফে বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার পর সৌদি তরুণের আত্মহনন Logo ডেঙ্গুতে আরো ৩ প্রাণহানি, চলতি মাসেই ৩৯ মৃত্যু Logo বিমান টিকিট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : বিমানমন্ত্রী Logo ২০ টাকার জন্য বাবার সামনে ছেলেকে খুন, আসামির ২৫ বছরের কারাদণ্ড Logo কটিয়াদীতে পিকআপের সঙ্গে অটোরিকশার ধাক্কা, নিহত ৩ ও আহত ৫

২০ টাকার জন্য বাবার সামনে ছেলেকে খুন, আসামির ২৫ বছরের কারাদণ্ড

দীর্ঘ ২৫ বছর আগে ডেমরার গোপীবাগে (বর্তমানে ওয়ারী থানা) ২০ টাকার জন্য বাবার সামনে ছেলেকে ছুরিকাঘাতে খুনের দায়ে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলাম এ রায় দেন।

আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া বলেন, কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০১ সালের ৪ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে গোপীবাগ এলাকার মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হন নজির আহম্মদ ও তার ছেলে বিপ্লব ওরফে বশির (১৮)। মনির নজির আহম্মদের পাশ দিয়ে দ্রুতগতিতে একটু সামনে গিয়ে বশিরকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাঘাত করে।

বিপ্লব চিৎকার করলে নজির আহম্মদসহ কয়েকজন মিলে মনিরকে জাপটে ধরেন। এরপর বিপ্লবকে উদ্ধার করে প্রথমে মনোয়ারা হাসপাতালে, পরে ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ওই দিনই নজির আহম্মদ ডেমরা থানায় হত্যা মামলা করেন।

পরে মনিরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলাটি তদন্ত করে পরের বছরের ৩১ মার্চ মনিরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন ডেমরা থানার এসআই আ. জব্বার। তদন্তে উঠে আসে, মনিরের কাছ থেকে বিপ্লব ২০ টাকা ধার নেন। এই টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মনির বিপ্লবকে খুন করেন।

২০০২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

বিচার চলাকালে আদালত ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। ২০০৯ সালে মনিরকে জামিন দেন আদালত। ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আজ আসামির সাজার রায় এলো।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

প্রতি উপজেলায় বয়স্কদের পুনর্বাসনে কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে

২০ টাকার জন্য বাবার সামনে ছেলেকে খুন, আসামির ২৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:৩৪:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

দীর্ঘ ২৫ বছর আগে ডেমরার গোপীবাগে (বর্তমানে ওয়ারী থানা) ২০ টাকার জন্য বাবার সামনে ছেলেকে ছুরিকাঘাতে খুনের দায়ে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলাম এ রায় দেন।

আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া বলেন, কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০১ সালের ৪ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে গোপীবাগ এলাকার মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হন নজির আহম্মদ ও তার ছেলে বিপ্লব ওরফে বশির (১৮)। মনির নজির আহম্মদের পাশ দিয়ে দ্রুতগতিতে একটু সামনে গিয়ে বশিরকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাঘাত করে।

বিপ্লব চিৎকার করলে নজির আহম্মদসহ কয়েকজন মিলে মনিরকে জাপটে ধরেন। এরপর বিপ্লবকে উদ্ধার করে প্রথমে মনোয়ারা হাসপাতালে, পরে ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় ওই দিনই নজির আহম্মদ ডেমরা থানায় হত্যা মামলা করেন।

পরে মনিরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলাটি তদন্ত করে পরের বছরের ৩১ মার্চ মনিরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন ডেমরা থানার এসআই আ. জব্বার। তদন্তে উঠে আসে, মনিরের কাছ থেকে বিপ্লব ২০ টাকা ধার নেন। এই টাকা ফেরত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মনির বিপ্লবকে খুন করেন।

২০০২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

বিচার চলাকালে আদালত ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। ২০০৯ সালে মনিরকে জামিন দেন আদালত। ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলেও তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত থেকে আজ আসামির সাজার রায় এলো।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ