হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়া সেই নারীকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (২৯ অগাস্ট) বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম সন্ধিগ্ধ আসামি মিতুকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তবে এ দিন আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
এর আগে গত রাত ১২টার দিকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে মিতুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই সৌমিত্র সরকার তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
কারাগারে পাঠানোর আবেদনে বলা হয়, যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় সন্ধিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তারের পর ২৪ অগাস্ট মিতুর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান কবির তাকে থানায় নিয়ে আসেন। এসময় মিতুর সঙ্গে তার দুই বছর পাঁচ মাসের বাচ্চাও ছিল। তাকে ঘটনার বিষয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২৭ অগাস্ট সকালে রিমান্ড শেষে মিতুকে আদালতে পাঠানোর আগে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরীক্ষা শেষে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে থানায় নিয়ে আসা হয়।
এক নারী কনস্টেবলের পাহারায় থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেক্সে ছিলেন মিতু। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি কৌশলে দরজা খুলে শিশুসন্তান নিয়ে পালিয়ে যান।
বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। হেফাজত থেকে পালানোর ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় এসআই খন্দকার আবু সালেহ নাঈম মামলা দায়ের করেছেন।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ





























