ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বন্যার ধ্বংসযজ্ঞের পর নেপাল পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার

ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর নেপাল এখন বড় ধরনের পুনর্গঠন চ্যালেঞ্জের মুখে। নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো ও জনপদ পুনর্গঠনে নেপালের প্রয়োজন হতে পারে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে স্বর্ণিম ওয়াগলে বলেন, এটি ক্ষয়ক্ষতির একটি প্রাথমিক হিসাব। বন্যায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিদর্শন ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব তৈরির কাজ চলছে।

বন্যায় ঘরবাড়ির পাশাপাশি নেপালের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বেশ কিছু সড়ক ও সেতু। এতে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

বন্যার প্রভাব পড়েছে দেশটির জলবিদ্যুৎ খাতেও। বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিদ্যুৎ উৎপাদন-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইটে ধারণ করা কিছু ছবিতে বন্যার পানিতে একটি শিল্প স্থাপনা প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হওয়ার চিত্রও দেখা গেছে।

তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব হাতে আসেনি। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছে। এই মূল্যায়ন শেষ হলে পুনর্গঠনে প্রকৃতপক্ষে কত অর্থ প্রয়োজন, সে বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

এবার ফোবানা সম্মেলন মাতাবেন জায়েদ খান

বন্যার ধ্বংসযজ্ঞের পর নেপাল পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় ০৬:০৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর নেপাল এখন বড় ধরনের পুনর্গঠন চ্যালেঞ্জের মুখে। নেপালের অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে জানিয়েছেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো ও জনপদ পুনর্গঠনে নেপালের প্রয়োজন হতে পারে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে স্বর্ণিম ওয়াগলে বলেন, এটি ক্ষয়ক্ষতির একটি প্রাথমিক হিসাব। বন্যায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিদর্শন ও ক্ষয়ক্ষতির হিসাব তৈরির কাজ চলছে।

বন্যায় ঘরবাড়ির পাশাপাশি নেপালের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বেশ কিছু সড়ক ও সেতু। এতে দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার সঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

বন্যার প্রভাব পড়েছে দেশটির জলবিদ্যুৎ খাতেও। বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিদ্যুৎ উৎপাদন-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া স্যাটেলাইটে ধারণ করা কিছু ছবিতে বন্যার পানিতে একটি শিল্প স্থাপনা প্রায় পুরোপুরি ধ্বংস হওয়ার চিত্রও দেখা গেছে।

তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব হাতে আসেনি। সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছে। এই মূল্যায়ন শেষ হলে পুনর্গঠনে প্রকৃতপক্ষে কত অর্থ প্রয়োজন, সে বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ