টস হেরে উড়ন্ত শুরু করে জিম্বাবুয়ে। প্রথম তিন ওভারেই ৩৮ রান তুলে ফেলে তারা। এরপর নাহিদ রানার তোপের মুখে পিছু হটে স্বাগতিকরা। তবে সেই রানাই শেষ ওভারে খরচ করেন ১৮ রান। ফলে শেষ পর্যন্ত লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে জিম্বাবুয়ে।
বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আগে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। ৩০ বলে ৪৪ রান করেন ব্রায়ান বেনেট। এছাড়া ২৫ বলে ৩০ রান আসে রায়ান বার্লের ব্যাট থেকে। শেষ দিকে ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও খেলেন ব্রাড ইভান্স।
জিম্বাবুয়ের উড়ন্ত শুরু পর বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন নাহিদ রানা। নিজের প্রথম ওভারেই মাত্র ১ রান খরচায় ফেরান ৯ বলে ১৪ রান করা মারুমানিকে। পাওয়ার প্লে শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৫৪ রান।
এরপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন আঘাত হানেন। ২০ বলে ২০ রান করা ডিওন মায়ার্সকে ফিরিয়ে জিম্বাবুয়েকে দ্বিতীয় ধাক্কা দেন তিনি। এরপর ৩০ বলে ৪৪ রান করা ব্রায়ান বেনেটকে সাজঘরে ফেরান নাহিদ রানা। ১১ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৯১ রান।
মাঝের ওভারগুলোতে সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্ল ইনিংস গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ১৩ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ১০৫ রান। তবে ১৩ বলে ২০ রান করা রাজাকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন সাইফউদ্দিন।
ইনিংসের ১৮তম ওভারে ম্যাচে সবচেয়ে বড় প্রভাব রাখেন নাহিদ রানা। নিজের ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে যথাক্রমে শুম্বা ও মুসেকিওয়াকে ফিরিয়ে টানা দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন এই গতিতারকা। তখন ৩ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি।
তবে শেষ ওভারে ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি নাহিদ। ইনিংসের শেষ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ফেলেন তিনি। সেই সুযোগে জিম্বাবুয়ে ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৭০ রানের লড়াকু সংগ্রহ গড়ে।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন নাহিদ রানা। ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন তিনি। এছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২টি উইকেট শিকার করেন।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ


























