ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মন্ত্রিসভার নতুন প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি Logo নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে হেফাজতে ইসলামের অভিনন্দন Logo তুরাগ নদ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের লাশ উদ্ধার Logo শপথ নিলেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo রাজধানী ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে বুড়িগঙ্গায় নৌকাবাইচ উৎসব Logo নয় মাসের অভিযান শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন Logo রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের নতুন সচিব সালাহউদ্দিন নাগরী Logo মির্জা ফখরুলের শপথ ঘিরে বঙ্গভবনে প্রবেশ করছেন ৩ বাহিনীর প্রধান Logo রাজবাড়ীতে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি, দায়ীদের বিরুদ্ধে মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি Logo প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি

গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৬ জুলাই) উদ্‌যাপিত হতে যাওয়া ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার (৫ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উন্নয়নের মূলধারায় দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, উন্নত পল্লি ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদ্‌যাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লি, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন, জনগণের প্রত্যাশা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যোগ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে আমাদের পল্লি। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটিরশিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই পল্লি উন্নয়ন কেবল একটি খাতভিত্তিক কর্মসূচি নয়; বরং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল ও স্থায়ী করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের একটি সুদূরপ্রসারী রূপরেখা প্রণয়ন করেন। এ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, যুবসমাজকে সুসংগঠিত করা, প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন।

পাশাপাশি কৃষক সংগঠন গঠন, সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, খাল খনন, সেচ ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তৃণমূল জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘গ্রাম সরকার ব্যবস্থা’ দেশের স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে নতুন গতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি প্রদান করে, জানান তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গৃহীত বিস্তৃত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তার সময়কালে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা, সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে পল্লি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রম পল্লি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক গতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

বাণীতে বলা হয়, একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে। সরকার এরই মধ্যে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পল্লির দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পল্লি গড়ে তুলতে আমি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সব দপ্তর-সংস্থা এবং পল্লি উন্নয়নে নিয়োজিত সব অংশীজনের প্রতি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানাই। আমি বিশ্বাস করি, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের পল্লি হবে আরও আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ; আর সেই সমৃদ্ধ পল্লিই গড়ে তুলবে একটি উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

পরিশেষে, ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করাসহ এ উপলক্ষে পল্লিবাসী সব জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

মন্ত্রিসভার নতুন প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি

গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৬ জুলাই) উদ্‌যাপিত হতে যাওয়া ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার (৫ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উন্নয়নের মূলধারায় দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, উন্নত পল্লি ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদ্‌যাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লি, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন, জনগণের প্রত্যাশা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যোগ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে আমাদের পল্লি। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটিরশিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই পল্লি উন্নয়ন কেবল একটি খাতভিত্তিক কর্মসূচি নয়; বরং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল ও স্থায়ী করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের একটি সুদূরপ্রসারী রূপরেখা প্রণয়ন করেন। এ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, যুবসমাজকে সুসংগঠিত করা, প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন।

পাশাপাশি কৃষক সংগঠন গঠন, সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, খাল খনন, সেচ ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তৃণমূল জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘গ্রাম সরকার ব্যবস্থা’ দেশের স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে নতুন গতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি প্রদান করে, জানান তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গৃহীত বিস্তৃত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তার সময়কালে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা, সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে পল্লি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রম পল্লি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক গতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

বাণীতে বলা হয়, একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে। সরকার এরই মধ্যে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পল্লির দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পল্লি গড়ে তুলতে আমি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সব দপ্তর-সংস্থা এবং পল্লি উন্নয়নে নিয়োজিত সব অংশীজনের প্রতি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানাই। আমি বিশ্বাস করি, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের পল্লি হবে আরও আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ; আর সেই সমৃদ্ধ পল্লিই গড়ে তুলবে একটি উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

পরিশেষে, ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করাসহ এ উপলক্ষে পল্লিবাসী সব জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস