প্রথম ম্যাচেও তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান শুরুটা এনে দিয়েছিলেন। এরপর রীতিমতো নাহিদ রানার গতির তোপের তছনছ করে ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ। ৮৬ রানে ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে যায় টাইগাররা। বৃহস্পতিবার সিরিজে টিকে থাকার লড়াইয়ে টস জিতে ব্যাটিং করতে নামা অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা হয়েছে আরও দুঃস্বপ্নের মতো। তাসকিন ও মোস্তাফিজের তোপের মুখে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছে অজিরা।
এদিন ইনিংসের তৃতীয় বলেই অজি ওপেনার ম্যাথ শর্টকে বোল্ড করেন তাসকিন। অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারি ছেড়ে দেন শর্ট, সেটা ভিতরে ঢুকে স্টাম্প ভেঙে দেয়। পরের ওভারে জোড়া ধাক্কা দেন মোস্তাফিজুর রহমান। ওভারের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান কনোলি। এরপর ম্যাট রেন শও ক্যাচ দিয়েছেন উইকেটের পেছনে।
এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে খেলেছে ১০২৪টি। দুই ওপেনারই ডাক মেরেছেন, অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র দুইবার। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবার, পরেরটি ২০২২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে। আজ ম্যাথু শর্ট ও কনোলিকে শূন্য রানে ফিরিয়ে তৃতীয় ঘটনাটি ঘটালো বাংলাদেশ।
এছাড়া এর আগে কখনোই শূন্য রানে ৩ উইকেট হারায়নি অস্ট্রেলিয়া। সবচেয়ে কম রানে যখন তারা ৩ উইকেট হারিয়েছিল, তখনও স্কোরবোর্ডে রান ছিল ৫।
এমন অভিজ্ঞতা অবশ্য বাংলাদেশের আছে। ২০০৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শূন্য রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল টাইগাররা। আর সেটাও ইনিংসের প্রথম ৩ বলে, হ্যাটট্রিক করেছিলেন শ্রীলঙ্কার বাহাতি পেসার চামিন্দা ভাস। ৫ রানে পড়েছিল চতুর্থ উইকেট। ওই ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ১২৬ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ। দেখা যাক আজ অস্ট্রেলিয়া কতদূর যেতে পারে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪৯ রানে ৪ উইকেট অস্ট্রেলিয়ার। এছাড়া বাকি দুটি ঘটনা পাকিস্তানের।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ