বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায় চীন। চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে দেশটির সরকার অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। মঙ্গলবার চীনের বেইজিংয়ে বিএনপির প্রতিনিধি
ইরানের প্রেস টিভি বলেছে, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। দুই দেশের ভূখণ্ডে একাধিক হামলা ও পাল্টা হামলার পর ইরানের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার। এদিকে
ইসরায়েল সরকার বলেছে, ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে নিজেদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জন হওয়ার পরই দেশটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে এমন দাবি জানিয়েছে ইসরায়েল সরকার। ওই বিবৃতিতে বলা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘ যুদ্ধবিরতি (ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে) এখন কার্যকর হয়েছে। দয়া করে, কেউ এটা লঙ্ঘন করবেন না।’ নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা লিখেন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) বৈঠকে যোগ দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ১২তম একনেক সভায় অনুমোদনের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের
পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে সমাজমাধ্যমে আরও একটি পোস্ট করলেন ট্রাম্প। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দাবি, ইসরায়েল এবং ইরান প্রায় একইসঙ্গে তাঁর কাছে এসেছিল। দুই দেশই তাঁর কাছে গিয়ে ‘শান্তি’র কথা বলেছিল। ইরান-ইসরায়েল
ইরাকের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরান ও ইসরাইলের সংঘাতের মধ্যে দেশটির ইমাম আলী, বালাদ ও তাজি সামরিক ঘাঁটিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এছাড়া রাজধানী বাগদাদের বিমানবন্দরের কাছে ড্রোন
সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে তেহরানকে রাজি করাতে মধ্যস্থতা করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এমনটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ
ইরান এখনো যুদ্ধবিরতির কোনো প্রস্তাব পায়নি এবং তাদের কাছে এমন কোনো প্রস্তাবের প্রয়োজনও নেই—সিএনএনকে এমনটাই জানিয়েছেন তেহরানের এক শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘ইরান স্থায়ী শান্তি অর্জনের আগ পর্যন্ত লড়াই
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইসরায়েল ও ইরান সম্পূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তিনি জানান, এই যুদ্ধবিরতি একপর্যায়ে চলমান সংঘাতের অবসানের পথে নিয়ে যাবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা