ইরান, ফিলিস্তিন এবং আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে রাজধানীর শাহবাগে ‘আজাদি পতাকা মিছিল’ করেছে জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টি (জেডিপি)।
শনিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
জেডিপি জানায়, শহীদ ইমাম খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, ইরানের বিজয় উদযাপন এবং ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতা ও ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে সম্মান করা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম পূর্বশর্ত। তারা সামরিক আগ্রাসন, দখলদারত্ব ও নিরীহ মানুষের প্রাণহানির নিন্দা জানিয়ে এসবের অবসান কামনা করেন।
বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের এক উজ্জ্বল ইতিহাস। সেই চেতনা থেকেই বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করা বাংলাদেশের মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। তারা ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাধানের আহ্বান জানান।
সমাবেশে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের আগ্রাসী নীতির সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি পুনর্মূল্যায়নের দাবিও জানান।
পরে বাংলাদেশ, ইরান ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে একটি বর্ণাঢ্য মিছিল জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনি ইহসান, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, জাগপার যুগ্ম সদস্যসচিব লায়ন উমার রাজী, জনজোটের আহ্বায়ক মোজাম্মেল মিয়াজী, গ্রিন পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আম্মার, জনতার দলের যুগ্ম সদস্যসচিব স্বনাম ফুয়াদ এবং জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্যসচিব ডা. নাবিল আহমাদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস