রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দুই বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ২০২৫-এর প্রশ্নে এইচএসসি, সব শিক্ষক-কর্মকর্তাকে অব্যাহতি ১০ লেনে উন্নীত হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ফরিদপুর বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ও হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জুলাই হত্যার প্রতিটি ঘটনার বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী তারেক রহমান শুধু স্বপ্ন দেখেন না, স্বপ্ন বাস্তবায়নও করেন: মির্জা ফখরুল নতুনভাবে বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য : পানিসম্পদ মন্ত্রী অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ অবহেলা-দুর্নীতি করলে বদলি নয়, চাকরিচ্যুতি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর স‌ঙ্গে স্পিকা‌রের বৈঠক

২০২৫-এর প্রশ্নে এইচএসসি, সব শিক্ষক-কর্মকর্তাকে অব্যাহতি

জামালপুর, প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ঘটনাটি শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসতেই কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে তিনি অব্যাহতির নির্দেশ দেন।

শনিবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবু খায়ের মো. কামাল হাসান।

এ বিষয়ে  সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ মো. শওকত আলম মীর বলেন, আমাদের কাছে যে প্রশ্নপত্র আসে- সেগুলোতে ২০টি প্রশ্নপত্রে একটি বান্ডেল হয়। ৪২০২ নাম্বার কক্ষের জন্য যে ৫টি বান্ডেল খোলা হয়- সেসবের প্রতিটি বান্ডেলের উপরে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের প্রশ্নপত্র লেখা ছিল। কিন্তু ভেতরে ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র ছিল। পরীক্ষা শুরু আগে বিষয়টি দেখার সুযোগ না থাকায় শিক্ষকেরা বান্ডেল খুলে পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রশ্ন বিতরণ করেন। পরীক্ষা শেষে জানা যায় যে- যারা মূলত অনিয়মিত ও মানোন্নয়নের জন্য পরীক্ষা দিচ্ছেন তাদের জন্য এই প্রশ্ন ছিল।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরা কলেজে এসেছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলছি। তারা যে নির্দেশনা দেবেন, সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রের ৪২০২ নম্বর কক্ষে এইচএসসির বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণের ঘটনা ঘটে। ওই কক্ষের সব পরীক্ষার্থী ছিলেন সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী।

পরীক্ষা শেষে নুসরাত জাহান নামে ওই কক্ষের একজন পরীক্ষার্থী বলেন, সারা বাংলাদেশ একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন। আমরা ১০০ জন অন্য একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিলাম। এখন আমার পরীক্ষা কেমন হয়েছে। সেটি আর বিষয় না। আমরা এখন পাস করবো নাকি ফেল করবো সেটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। পাস করলেও এ-প্লাস আসবে কিনা সেটি জানি না।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com