নওগাঁর আত্রাই উপজেলার নন্দনালী এলাকার মৌসুমি কৃষক ইদ্রিস মিয়ার মুখে হাসি ফুটেছে।কারণ, চলতি রবি মৌসুমে তার বাদামের খেতে বাম্পার ফলন হয়েছে। শুধু ইদ্রিস মিয়াই নয়, উপজেলাজুড়ে বাদামের ভালো ফলন পেয়ে
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে রবিশস্য তুলে সাত বিঘা জমিতে ব্রি-২৯ জাতের বোরো ধান রোপণ করেছিলেন আজগার আলী। ঈদের পরপরই ধান কাটার কথা ছিল তার। কিন্তু মাত্র তিনদিনের ভারি বর্ষণ আর উজান থেকে
সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায় সুরমা-কুশিয়ারা এবং সুনামগঞ্জ জেলায় কুশিয়ারা নদীগুলোর পানি সমতল কমছে। তবে কুশিয়ারা নদী অমলশীদ পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিপদসীমার নিচে নেমে আসতে
চলতি বছর বর্ষা না আসতেই ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে ভোলার চরফ্যাশনের তেঁতুলিয়া নদী। নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এতে নিঃস্ব হচ্ছে বহু পরিবার। ভাঙন কবলিত স্থানীয়
টাঙ্গাইল জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত যমুনা, ধলেশ্বরী, লৌহজং ও ঝিনাই নদীর পানি ক্রমাগত বাড়ছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবাহে জেলার অভ্যন্তরীণ নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার
সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তত আটটি নদ-নদীর পানি বাড়ছে। আগামী কয়েক দিন এসব নদ-নদীর পানি সমতল আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এর ফলে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ
কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে বেড়েছে তিস্তা নদীর পানি। এতে প্লাবিত হয়েছে তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চল। তলিয়েছে শত শত বিঘার জমির ফসল। সোমবার (২ জুন) দুপুরে জানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় টানা বৃষ্টি ও ভারতের পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। নতুন করে আরও কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে, গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট, কৃষি জমি, পুকুর, জলাশয়। আখাউড়া
সিলেটের জকিগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর ডাইক (নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ) ভেঙে প্রবল স্রোতে পানি ঢুকছে লোকালয়ে। রোববার (২ জুন) দিনগত রাত থেকে সকাল পর্যন্ত তিনটি স্থানে ডাইক ভাঙার খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে অতি জোয়ার ও বাতাসে ভোলায় হাজার হাজার বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। জেলার সাত উপজেলার ৭০টি ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চরফ্যাশন উপজেলার সাগর মোহনার বিচ্ছিন্ন