ফ্রেঞ্চ কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে শেষ বত্রিশে। নগর প্রতিদ্বন্দ্বী প্যারিস এফসির বিপক্ষে ঘরের মাঠেই ১-০ গোলের হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে তারা। গত মৌসুমে ১৬তম বারের
নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ, এই সিদ্ধান্তে অনড়। বাংলাদেশ চায় বিকল্প দেশের ভেন্যুতে খেলতে। তবে আইসিসি এখনও তাতে সায় দেয়নি। এরই মধ্যে নতুন খবর। আইসিসির নিরাপত্তা
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর ভেন্যু নিয়ে জটিলতা কাটছেই না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যেন অবস্থানগত লড়াইয়ে আটকে আছে। টুর্নামেন্ট শুরু হতে এখন মাত্র তিন
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির নেতৃত্বাধীন বোর্ড বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ ম্যাচগুলো
সেঞ্চুরির আক্ষেপ দুই ইনিংসেই থাকল। প্রথম ইনিংসে তাওহিদ হৃদয়, দ্বিতীয় ইনিংসে মোহাম্মদ ওয়াসিম; দুজনই তিন অঙ্ক ছোঁয়া থেকে অল্পের জন্য বঞ্চিত হলেন। তবে পার্থক্য গড়ে দিল ফলাফল। হৃদয়ের আক্ষেপের দিনে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আর এক মাসও বাকি নেই। এই সময়টাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দাঁড়িয়ে আছে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) চিঠি
টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে না খেলার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান আইসিসির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যে চিঠি দিয়েছে, তার কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব এখনো
মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ায় কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে বিসিবি। ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে আইসিসিকে। নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দুই বার আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি।
ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালে নারী এককের সেমিফাইনালে ক্যারোলিনা মুচোভাকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে অ্যারিনা সাবালাঙ্কা। ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে ক্যারোলিনাকে ৬-৩ ও ৬-৪ সেটে হারান বিশ্বের এক নম্বর তারকা টেনিসার। শিরোপার লড়াইয়ে
বেশ কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিলো জানুয়ারির দলবদলে ইনিগো মার্তিনেস বার্সেলোনায় ফিরতে পারেন। স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে বললেন, বার্সেলোনার আর্থিক পরিস্থিতির কারণে আপাতত তার প্রত্যাবর্তনের কোনো সম্ভাবনাই নেই।