ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

মাদক পরীক্ষায় একের পর এক ধরা পড়ছেন ভারতীয় পাইলট

ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইটে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার পর পরিচালিত প্রাথমিক মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন এয়ারলাইন্সটির আরও ২ জন পাইলট। তাদের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে এবং আপাতত তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি বা ডি-রোস্টার করা হয়েছে।

ফুকেট থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটটি অবতরণের পর কমান্ডে থাকা প্রধান পাইলটের দুটি মূত্র পরীক্ষায় গাঁজা বা মারিজুয়ানা সেবনের প্রমাণ মেলে। এই ঘটনার পরই টাটা পরিচালিত এয়ার ইন্ডিয়া তাদের সব পাইলটের জন্য নতুন মানদণ্ড অনুযায়ী ড্রাগ টেস্ট বাধ্যতামূলক করে।

এ পর্যন্ত ৩০০ জনেরও বেশি পাইলটের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, যার চূড়ান্ত ফল পেতে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে। ফ্লাইটটিতে কর্মরত এক কেবিন ক্রু অভিযোগ করেন, ওই পাইলট পূর্বে (পট) বা গাঁজা সেবন করেছিলেন।

যে এয়ারবাস এ-৩২০নিও বিমানটিকে ঘিরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেটি হঠাৎ ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার কারণে বহু যাত্রী আহত হন। কারিগরি তথ্যে জানা যায়, বিমানটির তিনটি প্রধান হাইড্রোলিক ব্যবস্থা অকেজো হয়ে যাওয়ার ফলে চার সেকেন্ডের জন্য সেটির এলিভেটর, এলরন এবং স্পয়লার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিজ থেকে পরিচালিত হতে থাকে।

পাইলটের কোনো কমান্ড ছাড়াই চার সেকেন্ড বিমানের ডানা ও পেছনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়া এ ধরনের বাণিজ্যিক বিমানে নজিরবিহীন। সংস্থাটি অবশ্য দাবি করেছে, এটি নিয়মিত পরীক্ষা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল বিধি অনুসরণ করেই তারা তাদের কর্মীদের এই পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

‘জান্নাত ৩’ নিয়ে আসছেন ইমরান হাশমি

মাদক পরীক্ষায় একের পর এক ধরা পড়ছেন ভারতীয় পাইলট

আপডেট সময় ১২:৫৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইটে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার পর পরিচালিত প্রাথমিক মাদক পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন এয়ারলাইন্সটির আরও ২ জন পাইলট। তাদের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে এবং আপাতত তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি বা ডি-রোস্টার করা হয়েছে।

ফুকেট থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটটি অবতরণের পর কমান্ডে থাকা প্রধান পাইলটের দুটি মূত্র পরীক্ষায় গাঁজা বা মারিজুয়ানা সেবনের প্রমাণ মেলে। এই ঘটনার পরই টাটা পরিচালিত এয়ার ইন্ডিয়া তাদের সব পাইলটের জন্য নতুন মানদণ্ড অনুযায়ী ড্রাগ টেস্ট বাধ্যতামূলক করে।

এ পর্যন্ত ৩০০ জনেরও বেশি পাইলটের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, যার চূড়ান্ত ফল পেতে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে। ফ্লাইটটিতে কর্মরত এক কেবিন ক্রু অভিযোগ করেন, ওই পাইলট পূর্বে (পট) বা গাঁজা সেবন করেছিলেন।

যে এয়ারবাস এ-৩২০নিও বিমানটিকে ঘিরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেটি হঠাৎ ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার কারণে বহু যাত্রী আহত হন। কারিগরি তথ্যে জানা যায়, বিমানটির তিনটি প্রধান হাইড্রোলিক ব্যবস্থা অকেজো হয়ে যাওয়ার ফলে চার সেকেন্ডের জন্য সেটির এলিভেটর, এলরন এবং স্পয়লার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিজ থেকে পরিচালিত হতে থাকে।

পাইলটের কোনো কমান্ড ছাড়াই চার সেকেন্ড বিমানের ডানা ও পেছনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়া এ ধরনের বাণিজ্যিক বিমানে নজিরবিহীন। সংস্থাটি অবশ্য দাবি করেছে, এটি নিয়মিত পরীক্ষা এবং বেসামরিক বিমান চলাচল বিধি অনুসরণ করেই তারা তাদের কর্মীদের এই পরীক্ষা পরিচালনা করে থাকে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ