ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আইনের মধ্যে হত্যার অধিকার পুলিশের আছে, তবে সরকার তা চায় না: তথ্য উপদেষ্টা Logo আত্মসমর্পণের শর্তে জামিন পেলেন শাহজালাল রুমী Logo আইসিএপিপির সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে বিএনপির দুই সদস্যের প্রতিনিধিদল Logo আশুলিয়ায় শতাধিক কারখানায় ছুটি, ৫০ পুলিশ সদস্য আহত Logo কাতারের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে মার্কিন জ্বালানির দিকে নজর ভারতের Logo সিউলে এশীয় রাজনৈতিক দলগুলোর আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে বিএনপি Logo লরির ধাক্কায় মিনিবাস উল্টে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিহত, মহাসড়ক অবরোধ Logo তাহসিফের হত্যা মামলায় নতুন মোড়, দীপকে আবার রিমান্ডে চায় পুলিশ Logo রাস্তায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ‘যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে’

সত্যের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না: মুক্তির পর আখতারুজ্জামান

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। মুক্তির পর তিনি বলেছেন, সত্য ও ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। চূড়ান্ত জয় সত্য ও ন্যায়েরই হবে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর কারাফটকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আজকে আমি সব সময় সকলের পক্ষে কথা বলার তৌফিক পেয়েছি। এই কয়েকদিন, এক মাসের কষ্টের পরেও আজকে আপনাদের সামনে এসে দাঁড়াতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমাকে রিমান্ডে নিলা কেন, এখানে কি হয়েছে আমাকে রিমান্ডে নিলা। রিমান্ডে নিয়ে আমাকে চোখ বাধলা কেন, আর চোখ বেঁধে তুমি জামায়াতের সম্বন্ধে বিভিন্ন প্রশ্ন কেন করলা। তুমি পুলিশ- ডিবি হয়ে একটি রাজনৈতিক দলের ভিতরের খবর জানার নেক্কারজনক সাহস কোথায় পাইলা। একটি রাজনৈতিক দলের ভিতরের খবর নেওয়া ডিবির কি দায়িত্ব। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলবো- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘আমাকে এভাবে তৈরি করে দিয়ে গেছেন, যাতে আমি জনগণের কল্যাণে, জনগণের পক্ষে কথা বলার তৌফিক পাই। আলহামদুলিল্লাহ, আমার বাবা-মায়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

আখতারুজ্জামান আরও বলেন, ‘সত্যের জয় হবেই হবে। আমরা সত্যের রাজনীতি করি, আমরা ন্যায়ের রাজনীতি করি। আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির রাজনীতি করি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনীতি করি। সত্যের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না।’

তিনি বলেন, ‘সময় লাগতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত জয় সত্যের হবেই হবে, ন্যায়ের হবে। আমরা আল্লাহর পথে আছি। আমরা আল্লাহর শাসন কায়েম করার পক্ষে আছি। আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির পক্ষে আছি। এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীন বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ আমরা এগিয়ে যাব।’

সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ‘দোয়া করবেন আমার জন্য, আমরা যেন জনগণের পাশে থাকতে পারি, জনগণের অধিকার আন্দোলন করতে পারি।’

মুক্তির পর কারাফটকে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আজকে এখানে আমার ভাইয়েরা কষ্ট করে এসেছেন। আমাদের মহিলা এমপি সাহেবরা এসেছেন। আমি তাদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের আসা আজকে আমার শক্তি।’

আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি ও বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। আগামীতে কথা হবে। জামায়াতের আমির সাহেব আমার জন্য অপেক্ষা করছেন। আগে জামায়াতের আমির সাহেবের কাছে যাই। উনার কাছে পৌঁছি। উনার নির্দেশ নিয়ে, যা সত্য, অবশ্যই আপনাদের জানাবো, ইনশাআল্লাহ। তবে তার আগে আমার দলের প্রধানের নির্দেশনা প্রয়োজন।’

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আইনের মধ্যে হত্যার অধিকার পুলিশের আছে, তবে সরকার তা চায় না: তথ্য উপদেষ্টা

সত্যের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না: মুক্তির পর আখতারুজ্জামান

আপডেট সময় ০৩:২৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। মুক্তির পর তিনি বলেছেন, সত্য ও ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। চূড়ান্ত জয় সত্য ও ন্যায়েরই হবে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর কারাফটকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আজকে আমি সব সময় সকলের পক্ষে কথা বলার তৌফিক পেয়েছি। এই কয়েকদিন, এক মাসের কষ্টের পরেও আজকে আপনাদের সামনে এসে দাঁড়াতে পেরেছি।’

তিনি বলেন, আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমাকে রিমান্ডে নিলা কেন, এখানে কি হয়েছে আমাকে রিমান্ডে নিলা। রিমান্ডে নিয়ে আমাকে চোখ বাধলা কেন, আর চোখ বেঁধে তুমি জামায়াতের সম্বন্ধে বিভিন্ন প্রশ্ন কেন করলা। তুমি পুলিশ- ডিবি হয়ে একটি রাজনৈতিক দলের ভিতরের খবর জানার নেক্কারজনক সাহস কোথায় পাইলা। একটি রাজনৈতিক দলের ভিতরের খবর নেওয়া ডিবির কি দায়িত্ব। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলবো- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘আমাকে এভাবে তৈরি করে দিয়ে গেছেন, যাতে আমি জনগণের কল্যাণে, জনগণের পক্ষে কথা বলার তৌফিক পাই। আলহামদুলিল্লাহ, আমার বাবা-মায়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

আখতারুজ্জামান আরও বলেন, ‘সত্যের জয় হবেই হবে। আমরা সত্যের রাজনীতি করি, আমরা ন্যায়ের রাজনীতি করি। আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির রাজনীতি করি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনীতি করি। সত্যের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না। ন্যায়ের রাজনীতি কখনো পরাজিত হবে না।’

তিনি বলেন, ‘সময় লাগতে পারে, কিন্তু চূড়ান্ত জয় সত্যের হবেই হবে, ন্যায়ের হবে। আমরা আল্লাহর পথে আছি। আমরা আল্লাহর শাসন কায়েম করার পক্ষে আছি। আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির পক্ষে আছি। এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীন বাংলাদেশে ইনশাআল্লাহ আমরা এগিয়ে যাব।’

সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি বলেন, ‘দোয়া করবেন আমার জন্য, আমরা যেন জনগণের পাশে থাকতে পারি, জনগণের অধিকার আন্দোলন করতে পারি।’

মুক্তির পর কারাফটকে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আজকে এখানে আমার ভাইয়েরা কষ্ট করে এসেছেন। আমাদের মহিলা এমপি সাহেবরা এসেছেন। আমি তাদের কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তাদের আসা আজকে আমার শক্তি।’

আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি ও বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। আগামীতে কথা হবে। জামায়াতের আমির সাহেব আমার জন্য অপেক্ষা করছেন। আগে জামায়াতের আমির সাহেবের কাছে যাই। উনার কাছে পৌঁছি। উনার নির্দেশ নিয়ে, যা সত্য, অবশ্যই আপনাদের জানাবো, ইনশাআল্লাহ। তবে তার আগে আমার দলের প্রধানের নির্দেশনা প্রয়োজন।’

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ