ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ইশরাকের অভিযান চালানো সেই স্পটে যৌথ অভিযান, আটক ১৫ জনের কারাদণ্ড Logo স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেওয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি: প্রধানমন্ত্রী Logo টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০, পরিচয় মিলেছে ৮ জনের Logo রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ৩ বিভাগ সফরে প্রধানমন্ত্রী Logo মণিপুরে সহিংসতায় নিহত ৪, মরদেহ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ Logo রিজার্ভ চুরির মামলায় ৯৯ বারের মতো পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন Logo স্বর্ণ ব্যবসায়ী দিলীপ আগরওয়ালা গ্রেপ্তার Logo সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামানের ২ দিনের রিমান্ড Logo সৌদির সার্বভৌমত্ব ও পবিত্র স্থান রক্ষায় কোনো আপস নয়, ঘোষণা পাকিস্তানের

চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন আয়োজন কঠিন হবে : ইসি মাছউদ

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেছেন, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ নির্বাচন নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার পর অন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘এখন যেহেতু আমরা ইউপি নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, এ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। আপাতত এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মনে হয় না যে সব করতে পারব। এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।’

তিনি বলেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে কাজ করতে হচ্ছে। বিভিন্ন কারণে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হতে পারে।

ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ হবে কি না, জানতে চাইলে ইসি মাছউদ বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে সংলাপের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। তবে এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব নয়।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় সম্পর্কেও এখনই বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। মাছউদ বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে এ বিষয়ে কাজ করা হবে। কমিশন এখনো তফসিল ঘোষণা করেনি, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার সময় আসেনি।

নির্বাচনী আইন পরিবর্তন না করেও সেনাবাহিনী মোতায়েনের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের রয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আছে, সেটাও আছে। আইন পরিবর্তন না করলেও আছে।’

ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথম ধাপের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী ধাপে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

ইউপি নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রতি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে সাংবাদিকেরা উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে কমিশনের পরিকল্পনা জানতে চাইলে মাছউদ বলেন, বর্তমানে ইউপি নির্বাচন নিয়ে কাজ করছে কমিশন। এ নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে অন্য নির্বাচনগুলো নিয়ে এখনই বিস্তারিত পরিকল্পনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও প্রয়োজন হবে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

 

Tag :

ইশরাকের অভিযান চালানো সেই স্পটে যৌথ অভিযান, আটক ১৫ জনের কারাদণ্ড

চলতি অর্থবছরে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন আয়োজন কঠিন হবে : ইসি মাছউদ

আপডেট সময় ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

তিনি বলেছেন, বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ নির্বাচন নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়ার পর অন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘এখন যেহেতু আমরা ইউপি নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, এ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। আপাতত এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই।

চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মনে হয় না যে সব করতে পারব। এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।’

তিনি বলেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে কাজ করতে হচ্ছে। বিভিন্ন কারণে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে হতে পারে।

ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ হবে কি না, জানতে চাইলে ইসি মাছউদ বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে সংলাপের বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। তবে এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব নয়।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সময় সম্পর্কেও এখনই বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। মাছউদ বলেন, তফসিল ঘোষণার আগে এ বিষয়ে কাজ করা হবে। কমিশন এখনো তফসিল ঘোষণা করেনি, তাই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলার সময় আসেনি।

নির্বাচনী আইন পরিবর্তন না করেও সেনাবাহিনী মোতায়েনের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের রয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আছে, সেটাও আছে। আইন পরিবর্তন না করলেও আছে।’

ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথম ধাপের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী ধাপে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

ইউপি নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রতি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে সাংবাদিকেরা উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে কমিশনের পরিকল্পনা জানতে চাইলে মাছউদ বলেন, বর্তমানে ইউপি নির্বাচন নিয়ে কাজ করছে কমিশন। এ নির্বাচনের ব্যস্ততার কারণে অন্য নির্বাচনগুলো নিয়ে এখনই বিস্তারিত পরিকল্পনা করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও প্রয়োজন হবে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ