কুমিল্লায় যুবদল কর্মী মো. আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা নিতে গড়িমসির অভিযোগ তুলে কোতোয়ালি মডেল থানার সামনে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রবিবার (১৮ অক্টোবর) এ বিক্ষোভের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া ও নেপথ্যে জড়িত ব্যক্তিদের আসামি করার দাবিতে পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান বিএনপি ও যুবদলের নেতারা। পরে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা গ্রহণ করে পুলিশ।
রবিবার জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং যুবদলের একটি প্রতিনিধিদল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে গিয়ে তাঁদের দেওয়া অভিযোগ অনুযায়ী মামলা গ্রহণের অনুরোধ জানায়। এ সময় আসামির সংখ্যা নিয়ে পুলিশ ও দলীয় নেতাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। ঘটনার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
কুমিল্লা মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান বিপ্লব বলেন, ‘মামলার অভিযোগে তো আমরা গণহারে আসামি করিনি। সরাসরি হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি হত্যার পরিকল্পনায় আরও একাধিক ব্যক্তি জড়িত আছেন। তাঁদেরও আসামি করে অভিযোগ দেওয়ার পর মামলা গ্রহণে বিলম্ব হয়। তাই আমরা ওসির কক্ষে গিয়েছিলাম। পরে বিষয়টির সমাধান হয়েছে।’
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল আনোয়ার জানান, আবু কাউছার হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার তৌহিদ ও তানজীরসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে রবিবার মামলা হয়েছে। এ পর্যন্ত তৌহিদ ও তাঁর ভাই তানজীরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
এর আগে গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার গোমতী নদীর উত্তর পাড়ের ছত্রখিল এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদল কর্মী আবু কাউছারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
বাংলা৭১নিউজ/এবি


























