ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

টঙ্গীর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ইউনিট-২ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

টঙ্গী শিল্প এলাকার চেরাগ আলীতে অগ্নিকাণ্ডের পর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিট-২ এর সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিট-২ বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।’

এর আগে কারখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফ্যাক্টরি ইনচার্জ) মোহাম্মদ আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক নোটিশেও এ তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানার সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে কবে নাগাদ কারখানার কার্যক্রম আবার শুরু হবে, সে বিষয়ে নোটিশে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটির ইউনিট-২ এ আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে বিভিন্ন ফায়ার স্টেশনের আরো ইউনিট যুক্ত হয়। মোট ২১টি ইউনিটের সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে ১১টি ইউনিট আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণের কাজ চালিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যসহ পাঁচজন অসুস্থ হন। এর মধ্যে আহত ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর নূর উদ্দিন ও জহিরুল ইসলামকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ফায়ার ফাইটার কালামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনায় কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. তালহা বিন জসিম গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়েছে। তাদের তিনজন আহত হয়েছে। আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছে। আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুন লাগার সঠিক কারণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুতই আগুন লাগার সঠিক কারণ জানানো হবে।

কারখানার জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের কারখানায় প্রায় ২০০ শ্রমিক কাজ করেন। হঠাৎ চতুর্থ তলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে শ্রমিকরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। পরে জরুরি অ্যালার্ম বাজানো হয়। এরপর কারখানার সব শ্রমিক দ্রুত ও নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। আমাদের কারখানায় কোনো দাহ্য পদার্থ নেই। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।’

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

আইএমএফের কাছ থেকে ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

টঙ্গীর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের ইউনিট-২ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

আপডেট সময় ০১:১২:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

টঙ্গী শিল্প এলাকার চেরাগ আলীতে অগ্নিকাণ্ডের পর ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিট-২ এর সব কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিট-২ বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।’

এর আগে কারখানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ফ্যাক্টরি ইনচার্জ) মোহাম্মদ আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক নোটিশেও এ তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানার সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে কবে নাগাদ কারখানার কার্যক্রম আবার শুরু হবে, সে বিষয়ে নোটিশে নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে কারখানাটির ইউনিট-২ এ আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে বিভিন্ন ফায়ার স্টেশনের আরো ইউনিট যুক্ত হয়। মোট ২১টি ইউনিটের সাড়ে তিন ঘণ্টার চেষ্টায় দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে ১১টি ইউনিট আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণের কাজ চালিয়ে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যসহ পাঁচজন অসুস্থ হন। এর মধ্যে আহত ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর নূর উদ্দিন ও জহিরুল ইসলামকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ফায়ার ফাইটার কালামকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনায় কারখানাটিতে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. তালহা বিন জসিম গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করা হয়েছে। তাদের তিনজন আহত হয়েছে। আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছে। আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুন লাগার সঠিক কারণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুতই আগুন লাগার সঠিক কারণ জানানো হবে।

কারখানার জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের কারখানায় প্রায় ২০০ শ্রমিক কাজ করেন। হঠাৎ চতুর্থ তলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে শ্রমিকরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। পরে জরুরি অ্যালার্ম বাজানো হয়। এরপর কারখানার সব শ্রমিক দ্রুত ও নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন। আমাদের কারখানায় কোনো দাহ্য পদার্থ নেই। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে।’

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ