ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমিরের Logo দেশের অর্থ লুটে বিলাসী জীবনযাপন করছেন ফ্যাসিবাদের দোসররা: রিজভী Logo এনসিপি মূলত জামায়াত নিয়ন্ত্রিত একটা প্রক্সি সংগঠন : আবু হানিফ Logo জন্মদিনে আনীতকে ‘মহাবিশ্বের উপহার’ বললেন আহান Logo মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে তরুণদের রক্ষা করুন: রাষ্ট্রপতি Logo টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানায় ভয়াবহ আগুন: নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২১ ইউনিট, যুক্ত হলো সেনাবাহিনী ও বিজিবি Logo না ফেরার শর্তে নয়, অসুস্থতার কারণে ক্যাম্পাস ছেড়েছি; সুস্থ হয়েই আবার ফিরব: চুয়েটের ভিসি Logo মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু, বাবা আহত Logo গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাশিয়ায় জাপানি সাংবাদিক গ্রেপ্তার Logo দেশকে অস্থিতিশীল করতে দোসররা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে

ইউক্রেনে মার্কিন প্রতিষ্ঠানে রাশিয়ার হামলা, নিশ্চুপ ট্রাম্প প্রশাসন

ইউক্রেনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়, কারখানা ও গুদামে রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটলেও এ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন রহস্যজনক নীরবতা বজায় রেখেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ইউক্রেনের আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের তথ্যের ভিত্তিতে এই খবর জানিয়েছে সিএনএন।।

ইউক্রেনের আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি অ্যান্ডি হুন্ডার জানান, গত কয়েক মাসে কোকা-কোলা, পেপসিকো, ম্যাকডোনাল্ডস এবং ওরিওর মতো বিখ্যাত মার্কিন ব্র্যান্ডগুলোর স্থাপনা লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। ৩ সেপ্টেম্বর কিয়েভ অঞ্চলের একটি কোকা-কোলা কারখানায় এবং ২৫ সেপ্টেম্বর কিয়েভে ম্যাকডোনাল্ডসের লজিস্টিক সঙ্গীর গুদামে শাহেদ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যার ফলে ম্যাকডোনাল্ডস তাদের খাবারের তালিকা ছোট করতে বাধ্য হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এসব হামলাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য রাশিয়ার একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মার্কিন ব্যবসায়িক স্বার্থ, অর্থ ও বিনিয়োগ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো প্রতিক্রিয়া বা নিন্দা প্রকাশ করা হয়নি।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীরবতার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর চাপে। ইউক্রেন যাতে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা না চালায়, সে জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কিইভকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন আইন উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে ডিজেল কেনার চুক্তি করার কথা ঘোষণা করেছেন এবং ইউক্রেন হামলা বন্ধ না করলে সামরিক সহায়তা কমানোর হুমকি দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পুরো যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং উভয় পক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের মতো ঊর্ধ্বতন নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স চেষ্টা করলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

ইউক্রেনে মার্কিন প্রতিষ্ঠানে রাশিয়ার হামলা, নিশ্চুপ ট্রাম্প প্রশাসন

আপডেট সময় ০২:০০:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ইউক্রেনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়, কারখানা ও গুদামে রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটলেও এ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন রহস্যজনক নীরবতা বজায় রেখেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ইউক্রেনের আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের তথ্যের ভিত্তিতে এই খবর জানিয়েছে সিএনএন।।

ইউক্রেনের আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি অ্যান্ডি হুন্ডার জানান, গত কয়েক মাসে কোকা-কোলা, পেপসিকো, ম্যাকডোনাল্ডস এবং ওরিওর মতো বিখ্যাত মার্কিন ব্র্যান্ডগুলোর স্থাপনা লক্ষ্য করে সরাসরি হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। ৩ সেপ্টেম্বর কিয়েভ অঞ্চলের একটি কোকা-কোলা কারখানায় এবং ২৫ সেপ্টেম্বর কিয়েভে ম্যাকডোনাল্ডসের লজিস্টিক সঙ্গীর গুদামে শাহেদ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যার ফলে ম্যাকডোনাল্ডস তাদের খাবারের তালিকা ছোট করতে বাধ্য হয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এসব হামলাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য রাশিয়ার একটি স্পষ্ট বার্তা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মার্কিন ব্যবসায়িক স্বার্থ, অর্থ ও বিনিয়োগ বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সত্ত্বেও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কোনো প্রতিক্রিয়া বা নিন্দা প্রকাশ করা হয়নি।

ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীরবতার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর চাপে। ইউক্রেন যাতে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলা না চালায়, সে জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কিইভকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন আইন উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে ডিজেল কেনার চুক্তি করার কথা ঘোষণা করেছেন এবং ইউক্রেন হামলা বন্ধ না করলে সামরিক সহায়তা কমানোর হুমকি দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পুরো যুদ্ধ বন্ধ করতে এবং উভয় পক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের মতো ঊর্ধ্বতন নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স চেষ্টা করলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ