ঢাকা ০২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমিরের Logo দেশের অর্থ লুটে বিলাসী জীবনযাপন করছেন ফ্যাসিবাদের দোসররা: রিজভী Logo এনসিপি মূলত জামায়াত নিয়ন্ত্রিত একটা প্রক্সি সংগঠন : আবু হানিফ Logo জন্মদিনে আনীতকে ‘মহাবিশ্বের উপহার’ বললেন আহান Logo মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে তরুণদের রক্ষা করুন: রাষ্ট্রপতি Logo টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কারখানায় ভয়াবহ আগুন: নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ২১ ইউনিট, যুক্ত হলো সেনাবাহিনী ও বিজিবি Logo না ফেরার শর্তে নয়, অসুস্থতার কারণে ক্যাম্পাস ছেড়েছি; সুস্থ হয়েই আবার ফিরব: চুয়েটের ভিসি Logo মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু, বাবা আহত Logo গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাশিয়ায় জাপানি সাংবাদিক গ্রেপ্তার Logo দেশকে অস্থিতিশীল করতে দোসররা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি সুলতান মনসুরকে গ্রেপ্তার দেখালেন আদালত

রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা বিএনপিকর্মী মুশফিকুর রহমান আবিরের হত্যাচেষ্টা মামলায় মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট জসিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু সালেহ আসামিকে আদালতে উপস্থিত করে গ্রেপ্তারের আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী সুলতান মোহাম্মদ মনসুরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোর আবেদন করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৪ ডিসেম্বর কলাবাগান এলাকার লেক সার্কাসের ১ নম্বর সড়কের মাথা থেকে বাদী মুশফিকুর রহমানকে কয়েকজন ব্যক্তি গাড়িতে তুলে নিয়ে মারধর করেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে তাকে হাজারীবাগের একটি ট্যানারির গুদামে আটকে রেখে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং পরিচিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বর দিতে চাপ দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, বাদীর কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে তার পরিবারের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার পর ৫ ডিসেম্বর সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় হামলা, গুলিবর্ষণ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের ইন্ধন ও নির্দেশনা থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে ভুক্তভোগী মুশফিকুর রহমান আবির বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সময় হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের চেষ্টা করা হলেও তখন পুলিশ মামলা নেয় নাই বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তী ২০২৫ সালে ১২ সেপ্টেম্বর পল্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জরুরি কূটনৈতিক যোগাযোগ স্থাপনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি সুলতান মনসুরকে গ্রেপ্তার দেখালেন আদালত

আপডেট সময় ০১:৫৮:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা বিএনপিকর্মী মুশফিকুর রহমান আবিরের হত্যাচেষ্টা মামলায় মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট জসিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্টন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু সালেহ আসামিকে আদালতে উপস্থিত করে গ্রেপ্তারের আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী সুলতান মোহাম্মদ মনসুরকে এ মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোর আবেদন করেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে কারাগারে আটক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ৪ ডিসেম্বর কলাবাগান এলাকার লেক সার্কাসের ১ নম্বর সড়কের মাথা থেকে বাদী মুশফিকুর রহমানকে কয়েকজন ব্যক্তি গাড়িতে তুলে নিয়ে মারধর করেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে তাকে হাজারীবাগের একটি ট্যানারির গুদামে আটকে রেখে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং পরিচিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বর দিতে চাপ দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, বাদীর কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে তার পরিবারের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার পর ৫ ডিসেম্বর সকালে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় হামলা, গুলিবর্ষণ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের ইন্ধন ও নির্দেশনা থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ মামলায় শেখ হাসিনাসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে ভুক্তভোগী মুশফিকুর রহমান আবির বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সময় হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়ের চেষ্টা করা হলেও তখন পুলিশ মামলা নেয় নাই বলে উল্লেখ করেন। পরবর্তী ২০২৫ সালে ১২ সেপ্টেম্বর পল্টন থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ