ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

অতিরিক্ত ৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন

দেশের শিল্পকারখানা, পরিবহন ও বিমান চলাচল খাতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ)। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর—এই চার মাসের বাড়তি চাহিদা মেটাতে ও পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সিসিইএ’র ২৯তম সভায় এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সম্পূর্ণ সরকারি পর্যায়ে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির মাধ্যমে এই ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল দেশে আনা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের নির্ধারিত মূল বরাদ্দের চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বছরের শেষ চার মাসে পরিবহন, বিমান চলাচল ও শিল্প খাতে জ্বালানির ব্যবহার প্রতিবছরই বৃদ্ধি পায়। আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কথা বিবেচনায় রেখে কৌশলগত মজুত বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতেই সরকার আগেভাগে এই আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

লিপস্টিক কেনার সময় প্যাকেটে এই ৫ উপকরণ থাকলে সাবধান

অতিরিক্ত ৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন

আপডেট সময় ০৯:৪৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের শিল্পকারখানা, পরিবহন ও বিমান চলাচল খাতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ)। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর—এই চার মাসের বাড়তি চাহিদা মেটাতে ও পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সিসিইএ’র ২৯তম সভায় এই প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সম্পূর্ণ সরকারি পর্যায়ে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির মাধ্যমে এই ৬ লাখ ৯৫ হাজার টন ডিজেল ও জেট ফুয়েল দেশে আনা হবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অতিরিক্ত এই জ্বালানি আমদানির পরিমাণ ২০২৬ সালের নির্ধারিত মূল বরাদ্দের চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বছরের শেষ চার মাসে পরিবহন, বিমান চলাচল ও শিল্প খাতে জ্বালানির ব্যবহার প্রতিবছরই বৃদ্ধি পায়। আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কথা বিবেচনায় রেখে কৌশলগত মজুত বৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতেই সরকার আগেভাগে এই আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস