স্প্যানিশ লা লিগায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে লেভান্তের মুখোমুখি হয়েছিল বার্সেলোনা। এই ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা দুর্দান্ত ফুটবল খেললেও শেষের দিকে কামব্যাক করার চেষ্টা করে স্বাগতিকরা। তবে সেই ধাক্কা সামলে ৩-২ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কাতালানরা।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রতিপক্ষের ঘরের মাঠ এস্তাদিও সিউদাদ দে ভ্যালেন্সিয়ায় জোড়া গোল করেছেন ইয়ামাল, একটি করে কারিম আডেইয়েমি ও শাভি এস্পার্ত। দুটি গোলে অবদান রেখেছেন অধিনায়ক হাফিনিয়া।
৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে এককভাবে চূড়ায় উঠে এসেছে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৩ নম্বরে আছে লেভান্তে।
এদিন প্রতিপক্ষের মাঠে চতুর্থ মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। হাফিনিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে ডি বক্সে ঢুকে জাল খুঁজে নেন এস্পার্ট। পেশাদার ফুটবলে তরুণ লেফট ব্যাকের এটাই প্রথম গোল।
এস্পার্টের ডান পায়ের শটে খুব একটা জোর ছিল না। তবে লেভান্তের একজনের পায়ে লেগে একটু দিক পাল্টে জালে যায়। ঝাঁপিয়েও নাগালে পাননি গোলরক্ষক।
চতুর্দশ মিনিটে রাতকভের শট ব্লক করেন পাউ কুবার্সি। পরের মিনিটে রজার ব্রুগেইয়ের শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন জোয়ান গার্সিয়া। ১৯তম মিনিটে স্কোর লাইন ২-০ করে ফেলেন ইয়ামাল। হাফিনিয়ার কাট ব্যাকে খুব কাছ থেকে ঠিকানা খুঁজে নেন বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আট গোল করা হাফিনিয়ার এটি ষষ্ঠ অ্যাসিস্ট। রক্ষণে গুটিয়ে না গিয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবলে ব্যবধান কমানোয় মনোযোগ দেয় লেভান্তে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বার্সেলোনার রক্ষণে প্রবল চাপ তৈরি করে স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ায় বার্সেলোনা। ৪৮তম মিনিটে সফল স্পট কিকে জাল খুঁজে নেন ইয়ামাল। তাকেই ফাউল করায় পেনাল্টি পায় শিরোপাধারীরা। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ইয়মালের গোল হলো সাতটি।
৫৬তম মিনিটে হাফিনিয়ার শট বেরিয়ে যায় দূরের পোস্ট ঘেঁষে। চার মিনিট পর গোললাইন থেকে আইভান রোমেরোর শট ঠেকিয়ে ব্যবধান কমতে দেননি আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টিয়ানসেন। পরের মিনিটে পা দিয়ে রোমেরোর শট ঠেকান বার্সেলোনা গোলরক্ষক।
৭৯তম মিনিটে বার্সেলোনার রক্ষণের মারাত্মক ভুলে বিপজ্জনক জায়গায় বল পেয়ে যান রোমেরো। অনায়াসে গার্সিয়াকে এড়িয়ে জাল খুঁজে নেন তিনি। তাতে বেশ জমে ওঠে ম্যাচ।
৮৮তম মিনিটে চমৎকার গোলে ব্যবধান আরও কমান ব্রুগেই। বল পায় দুই জনের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে ডি বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। ছুটে আসা ক্রিস্তিয়ানকেও এড়িয়ে শট নেন তিনি। হাত বাড়িয়ে কোনোমতে ঠেকিয়ে দেন গার্সিয়া। তবে ফিরতি বলে ঠিকই তাকে পরাস্ত করেন ব্রুগেই।
বেশ চাপে পড়ে যাওয়া বার্সেলোনা দলে স্বস্তি ফেরান আডেইয়েমি। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে মাঝমাঠে বল পেয়ে একজনের চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে তিনি ঢুকে পড়েন ডি বক্সে।
সেখানে আরেকজনকে ডজ দিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে খুঁজে নেন জাল। মূলত তার গতি ও পায়ের চমৎকার কারিকুরিতে বিভ্রান্ত হন প্রতিপক্ষ।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস



























