ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo চিকিৎসককে মারধরের প্রতিবাদে ইন্টার্নদের মানববন্ধন, কর্মবিরতি Logo মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ নভেম্বর Logo গ্রেপ্তার সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার ৭ দিনের রিমান্ড চায় ডিবি Logo হামের উপসর্গে আরও ২ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১৬৪ Logo ট্রাম্পের ‘জ্বালানি যুদ্ধবিরতি’ লঙ্ঘনের দায়ে রাশিয়াকে অভিযুক্ত করেছে ইউক্রেন Logo তাজমিন হত্যা : ‘তদন্তের অংশ হিসেবে’ রাজুকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর Logo দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য করতে রা‌জি নয়: শামা ওবায়েদ Logo ‘গুলি করি, মরে একটা’ বলা ইকবাল হত্যা বন্ধের চেষ্টা করেননি: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী Logo সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে সংসদ সদস্যদের স্ত্রীরাই সবার আগে নেবে: হাসনাত আবদুল্লাহ Logo নিজেকে সর্বকালের সেরা ও পরিপূর্ণ ফুটবলার দাবি রোনালদোর

এসআই আলতাফ হ/ত্যা: ‘মূলহোতা’ আপনসহ আরও ৪ জন গ্রেপ্তার

সাভারে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। মুন্সিগঞ্জের লঞ্চঘাট এলাকা থেকে দুজন এবং এর প্রায় এক কিলোমিটার দূরের এলাকা থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন—আলাউদ্দিন, সিহাদ, মিজান ও আপন। র‍্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ নিয়ে মামলার ১৫ আসামির মধ্যে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হলেন ৯ জন।

র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার আপন ও জিহাদ কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

র‍্যাবের ভাষ্য, এ ঘটনায় জড়িত ১৫ আসামিই কোনো না কোনোভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার আপন এ হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা। সে এসএস পাইপ দিয়ে এসআই আলতাফ হোসেনকে আঘাত করে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

র‍্যাবের অধিনায়ক বলেন, এসআই আলতাফ হোসেনকে পুলিশ সদস্য হিসেবে টার্গেট করে হত্যা করা হয়নি। ঘটনার সময় অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত ছিলেন। একটি অপরাধের ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ঘটনাচক্রে হামলার শিকার হন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

র‍্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, মানবিক বিবেচনায় স্থানীয় একটি ঝামেলা মীমাংসা করতে সেখানে গিয়েছিলেন এসআই আলতাফ। কিন্তু হামলাকারীরা তার কোনো কথা শোনেনি। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয় এবং এতে তাঁর মৃত্যু হয়।

জনসম্মুখে অপরাধ সংঘটিত হলেও অনেকে অপরাধীদের পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে ঘটনাস্থলের ছবি তুলে সরে যান বলে মন্তব্য করেন র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, জনসম্মুখে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সাধারণ মানুষের দায়িত্ব হলো অপরাধীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। এ ধরনের ঘটনায় আইনেও সাধারণ মানুষকে অপরাধীকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার বিধান রয়েছে।

কিন্তু মানুষ বিবেক বিসর্জন দিয়ে শুধু ছবি তুলে ঘটনাস্থল এড়িয়ে যাচ্ছে—এটি মানবিক স্খলনের উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

চিকিৎসককে মারধরের প্রতিবাদে ইন্টার্নদের মানববন্ধন, কর্মবিরতি

এসআই আলতাফ হ/ত্যা: ‘মূলহোতা’ আপনসহ আরও ৪ জন গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০১:৩২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাভারে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। মুন্সিগঞ্জের লঞ্চঘাট এলাকা থেকে দুজন এবং এর প্রায় এক কিলোমিটার দূরের এলাকা থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার চারজন হলেন—আলাউদ্দিন, সিহাদ, মিজান ও আপন। র‍্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ নিয়ে মামলার ১৫ আসামির মধ্যে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হলেন ৯ জন।

র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার আপন ও জিহাদ কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বের সঙ্গে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

র‍্যাবের ভাষ্য, এ ঘটনায় জড়িত ১৫ আসামিই কোনো না কোনোভাবে কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

র‍্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তার আপন এ হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা। সে এসএস পাইপ দিয়ে এসআই আলতাফ হোসেনকে আঘাত করে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

র‍্যাবের অধিনায়ক বলেন, এসআই আলতাফ হোসেনকে পুলিশ সদস্য হিসেবে টার্গেট করে হত্যা করা হয়নি। ঘটনার সময় অভিযুক্তরা নেশাগ্রস্ত ছিলেন। একটি অপরাধের ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ঘটনাচক্রে হামলার শিকার হন ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

র‍্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, মানবিক বিবেচনায় স্থানীয় একটি ঝামেলা মীমাংসা করতে সেখানে গিয়েছিলেন এসআই আলতাফ। কিন্তু হামলাকারীরা তার কোনো কথা শোনেনি। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হয় এবং এতে তাঁর মৃত্যু হয়।

জনসম্মুখে অপরাধ সংঘটিত হলেও অনেকে অপরাধীদের পুলিশের হাতে তুলে না দিয়ে ঘটনাস্থলের ছবি তুলে সরে যান বলে মন্তব্য করেন র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, জনসম্মুখে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সাধারণ মানুষের দায়িত্ব হলো অপরাধীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া। এ ধরনের ঘটনায় আইনেও সাধারণ মানুষকে অপরাধীকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার বিধান রয়েছে।

কিন্তু মানুষ বিবেক বিসর্জন দিয়ে শুধু ছবি তুলে ঘটনাস্থল এড়িয়ে যাচ্ছে—এটি মানবিক স্খলনের উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ