ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মানহীন ও নকলের অভিযোগে ৬ সিনেমা আটকে দিল সার্টিফিকেশন বোর্ড Logo বাবার যে শর্তের কারণে কখনও কাশ্মীর যাননি শাহরুখ! Logo ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ Logo হাতে দুই সিনেমা, নিজেকে প্রস্তুত করছেন মন্দিরা Logo গায়ে হাত দিলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দিলেন অভিনেত্রী ঋতাভরী Logo লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Logo চট্টগ্রামে অটোরিকশা ওয়ার্কশপের আড়ালে অস্ত্রের কারখানা, গ্রেপ্তার ২ Logo মানিকগঞ্জের সাবেক এমপি দুর্জয়ের স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের কঠোর পদক্ষেপ Logo যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে গাজায় ইসরায়েলি হামলা, ২ ফিলিস্তিনি নিহত Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের

মানহীন ও নকলের অভিযোগে ৬ সিনেমা আটকে দিল সার্টিফিকেশন বোর্ড

মানহীন ও নকলের দায়ে ছয়টি সিনেমা আটকে দিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ড। সেইসঙ্গে ছবিগুলোর প্রযোজক মনজুরুল ইসলাম মেঘের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে প্রতারণার অভিযোগ।

আটকে দেওয়া ছবিগুলো হলো ‘পরিণাম’; ‘রঙ্গশালা’; ‘রক্ত পিপাসা’ ‘রসু খাঁ’, ‘পাহাড়ের আর্তনাদ’ ও ‘বনদস্যু’। প্রথম তিন সিনেমার পরিচালক যথাক্রমে মঈনউদ্দিন খান, পীযূষ কান্তি সেন ও সজিব হোসেন। পরের তিন সিনেমার পরিচালক মিজানুর রহমান লাবু। ছবি ছয়টি গেল ৩০ জুলাই সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা দেন মনজুরুল ইসলাম

ভিন্ন ভিন্ন চিঠিতে সার্টিফিকেশন বোর্ড জানায়, ১২ আগস্ট পরিণাম, ১৩ আগস্ট রঙ্গশালা, ১৬ আগস্ট রক্ত পিপাসা, ১৭ আগস্ট পাহাড়ের আর্তনাদ, ১৮ আগস্ট বনদস্যু ও রসু খাঁ দেখে যাচাই বাছাই করা হয়।

এ সময় ২০২২ সালে সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত ‘যমজ ভূতের গল্প’ সিনেমার সঙ্গে পাহাড়ের আর্তনাদ এবং বনদস্যু সিনেমার সঙ্গে ২০২৩ সালে সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত ‘আমার অরণ্য’ চলচ্চিত্রের কাহিনি, সংলাপ ও দৃশ্যের হুবহু মিল পান বোর্ড সদস্যরা। বাকি সিনেমাগুলোতেও অশ্লীল সংলাপ, মাদকের ব্যবহার ও মানহীনতা খুঁজে পায় বোর্ড।

এরপর-ই পদক্ষেপ নেয় সার্টিফিকেশন বোর্ড। এ ধরনের প্রতারণা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচনায় কেন প্রযোজক মনজুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না— জানতে চেয়ে চিঠি পাওয়ার পরের সাত কার্যদিবসের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘পরিচালক সমিতির সদস্য শাহীন সুমন ও এফডিসির এমডির অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে আমিসহ অনেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করছি। তাই প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁরা আমার সিনেমা আটকে দিয়েছেন বলে মনে করছি। দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করছি। আমার ছয়টি সিনেমা আটকে দেওয়া সত্যিই বিস্ময়কর।’

আরও বলেন, ‘আগে ছাড়পত্র পাওয়া সিনেমা দুটি আমি আমার নামে কিনেছি। নাম পরিবর্তন করে আমার সিনেমা হিসেবে বোর্ডে জমা দিয়েছি। আবেদনপত্রে বিষয়টি উল্লেখ করার অপশন নেই। এখন বোর্ড জানতে চাইলে আগের কাগজপত্রসহ জানাব সিনেমা দুটি আমি নতুন করে কিনেছি।’

অভিযোগ এনে এ প্রযোজক বলেন, ‘সিনেমা আটকে দেওয়ার চিঠি পেয়েছি ২৭ আগস্ট, অথচ তার আগেই এই চিঠি বিভিন্ন সংগঠনের লোকজনের হাতে চলে গেল। সিনেমাগুলোর পরিচালকদের হুমকি দেওয়া হলো। তাই আমি মনে করছি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটা শ্রেণি আমার পেছনে লেগেছে।’

মনজুরুল ইসলাম জানান, লিখিত ব্যখ্যা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। সেইসঙ্গে আপিলের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

মানহীন ও নকলের অভিযোগে ৬ সিনেমা আটকে দিল সার্টিফিকেশন বোর্ড

মানহীন ও নকলের অভিযোগে ৬ সিনেমা আটকে দিল সার্টিফিকেশন বোর্ড

আপডেট সময় ০৮:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানহীন ও নকলের দায়ে ছয়টি সিনেমা আটকে দিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ড। সেইসঙ্গে ছবিগুলোর প্রযোজক মনজুরুল ইসলাম মেঘের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে প্রতারণার অভিযোগ।

আটকে দেওয়া ছবিগুলো হলো ‘পরিণাম’; ‘রঙ্গশালা’; ‘রক্ত পিপাসা’ ‘রসু খাঁ’, ‘পাহাড়ের আর্তনাদ’ ও ‘বনদস্যু’। প্রথম তিন সিনেমার পরিচালক যথাক্রমে মঈনউদ্দিন খান, পীযূষ কান্তি সেন ও সজিব হোসেন। পরের তিন সিনেমার পরিচালক মিজানুর রহমান লাবু। ছবি ছয়টি গেল ৩০ জুলাই সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা দেন মনজুরুল ইসলাম

ভিন্ন ভিন্ন চিঠিতে সার্টিফিকেশন বোর্ড জানায়, ১২ আগস্ট পরিণাম, ১৩ আগস্ট রঙ্গশালা, ১৬ আগস্ট রক্ত পিপাসা, ১৭ আগস্ট পাহাড়ের আর্তনাদ, ১৮ আগস্ট বনদস্যু ও রসু খাঁ দেখে যাচাই বাছাই করা হয়।

এ সময় ২০২২ সালে সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত ‘যমজ ভূতের গল্প’ সিনেমার সঙ্গে পাহাড়ের আর্তনাদ এবং বনদস্যু সিনেমার সঙ্গে ২০২৩ সালে সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত ‘আমার অরণ্য’ চলচ্চিত্রের কাহিনি, সংলাপ ও দৃশ্যের হুবহু মিল পান বোর্ড সদস্যরা। বাকি সিনেমাগুলোতেও অশ্লীল সংলাপ, মাদকের ব্যবহার ও মানহীনতা খুঁজে পায় বোর্ড।

এরপর-ই পদক্ষেপ নেয় সার্টিফিকেশন বোর্ড। এ ধরনের প্রতারণা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিবেচনায় কেন প্রযোজক মনজুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না— জানতে চেয়ে চিঠি পাওয়ার পরের সাত কার্যদিবসের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘পরিচালক সমিতির সদস্য শাহীন সুমন ও এফডিসির এমডির অনৈতিক কাজের বিরুদ্ধে আমিসহ অনেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করছি। তাই প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁরা আমার সিনেমা আটকে দিয়েছেন বলে মনে করছি। দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করছি। আমার ছয়টি সিনেমা আটকে দেওয়া সত্যিই বিস্ময়কর।’

আরও বলেন, ‘আগে ছাড়পত্র পাওয়া সিনেমা দুটি আমি আমার নামে কিনেছি। নাম পরিবর্তন করে আমার সিনেমা হিসেবে বোর্ডে জমা দিয়েছি। আবেদনপত্রে বিষয়টি উল্লেখ করার অপশন নেই। এখন বোর্ড জানতে চাইলে আগের কাগজপত্রসহ জানাব সিনেমা দুটি আমি নতুন করে কিনেছি।’

অভিযোগ এনে এ প্রযোজক বলেন, ‘সিনেমা আটকে দেওয়ার চিঠি পেয়েছি ২৭ আগস্ট, অথচ তার আগেই এই চিঠি বিভিন্ন সংগঠনের লোকজনের হাতে চলে গেল। সিনেমাগুলোর পরিচালকদের হুমকি দেওয়া হলো। তাই আমি মনে করছি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটা শ্রেণি আমার পেছনে লেগেছে।’

মনজুরুল ইসলাম জানান, লিখিত ব্যখ্যা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। সেইসঙ্গে আপিলের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস