এই গ্রীষ্মে বাঁয়ে থেকে জ্যাকসন, মার্তিনেজ, রজার্স এবং গার্নাচো চেলসি এবং ভিলার মধ্যে দলবদল হয়েছেন।
অ্যাস্টন ভিলা থেকে ৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে দলে নিয়েছে চেলসি, যা গত চার বছরে ক্লাব দুটির মধ্যে অষ্টম চুক্তি।
বিবিসি স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক তিন বছরের চুক্তিতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে যোগ দিয়েছেন।
আর্সেনালের সাবেক গোলরক্ষক মার্তিনেজ ২০২০ সালে ভিলায় যোগ দেন । গত মৌসুমে ২৫৬ ম্যাচ খেলে ভিলাকেকে ইউরোপা লিগ জিততে সাহায্য করেন এই তারকা গোলরক্ষক।
চেলসি এফসি এবং অ্যাস্টন ভিলার মধ্যে ২০২২ সালের গ্রীষ্মে থেকে খেলোয়াড় ট্রান্সফার শুরু হয়। যখন চেলসির মালিক ‘ব্লুকো’কোম্পানির হাতে চলে আসে।
সেই সময় অ্যাস্টন ভিলা থেকে
এই সম্পর্কের শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের গ্রীষ্মে, যখন চেলসির মালিকপক্ষ ‘ব্লুকো’ ক্লাবের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর অ্যাস্টন ভিলা থেকে কার্নি চুকুয়েমেকাকে ২০ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে দলে ভেড়ায়। পরবর্তীতে দুই ক্লাবের মধ্যে ইয়ান মাটসেন (৩৭.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে ভিলায়), ওমারি কেলিম্যান (১৯ মিলিয়ন পাউন্ডে চেলসিতে) এবং আক্সেল দিসাসি (৫ মিলিয়ন পাউন্ডের লোন চুক্তিতে ভিলায়) দলবদল করেন।
শুধুমাত্র চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলেই দুই ক্লাবের মধ্যে আরো চারটি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। মরগান রজার্স ১১৭ মিলিয়ন পাউন্ডের এক বিশাল চুক্তিতে চেলসিতে যোগ দিয়েছেন।
অন্যদিকে, আলেহান্দ্রো গার্নাচো প্রায় ৪৩ মিলিয়ন পাউন্ডে স্থায়ীভাবে কিনে নেওয়ার শর্তসাপেক্ষ বাধ্যবাধকতায় লোন চুক্তিতে ভিলায় যোগ দিয়েছেন।
এরপর জ্যাকসন ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ভিলায় পাড়ি জমান এবং তার পরপরই মার্তিনেসও একই পথ অনুসরণ করেন। ২০২২ সাল থেকে চেলসি খেলোয়াড় কেনার বাবদ অ্যাস্টন ভিলাকে মোট ১৬৩.৫ মিলিয়ন পাউন্ড পরিশোধ করেছে।
বিপরীতে, আক্সেল দিসাসির লোন ফিসহ চেলসির খেলোয়াড়দের পেছনে ভিলা খরচ করেছে ১০২.৫ মিলিয়ন পাউন্ড। গার্নাচোর লোন চুক্তিটি স্থায়ী করার নির্দিষ্ট শর্তগুলো পূরণ হলে ভিলার এই খরচের অঙ্ক ১৫০.৫ মিলিয়ন পাউন্ড পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ




























